যে-নামেই ডাকো, ধাঁধা ধাঁধাই
বুদ্ধির ধাঁধা উত্তর সহ | Buddhir Dhadha Uttor Soho | Bangla Funny Riddles with Answers | Bangla Dhadha With Answers
১. খেলা যখন (Khela Jakhon):
চারটে পোড়া দেশলাইকাঠি ও একটি সিকি দিয়ে একটা দুর্দান্ত মজার খেলা খেলবে? বেশ, এসো তা হলে।
পাশের ছবিতে ঠিক যেভাবে কাঠি সাজানো রয়েছে, সেইভাবে চারটে কাঠিকে সাজাও। অনেকটা শরবতের গ্লাসের মতো দেখতে, তাই না? তো, এই গ্লাসের মধ্যে রাখো সিকিটিকে।

এবার কী করতে হবে শোনো। দুটো কাঠি—হ্যাঁ, মাত্রই দুটো কাঠির অবস্থান বদলে দিয়ে পয়সাটাকে বের করে আনতে হবে গ্লাস থেকে। পারবে?
গ্লাস যদি কাত হয়ে যায়, কিংবা উলটেই যায়, তাতে কোনও ক্ষতি নেই। চেহারাটা দেখে যেন গ্লাস বলেই চেনা যায়, সেটুকু শুধু খেয়াল রেখো। তাছাড়া, গ্লাসে যদি পয়সা থাকে সত্যি, হয় কাত নয় উলটো করতে হবে গ্লাসটা। পয়সা কি তা না হলে বেরোবে? নাও। শুরু করো তা হলে।
২. চিঁড়েতন হরতন ইস্কাবন
হ্যাঁ, তাসের দেশ থেকেই তিনটে তাস এনে উলটো করে রাখা হয়েছে টেবিলের ওপর। তবে, এগুলো না চিঁড়েতন, না হরতন, না ইস্কাবন। তা হলে?
তা হলে যে কী এবং কত-কত তা তোমরাই বের করো না বাপু। আমি না হয় কিছু সূত্র দিচ্ছি তোমাদের।
১। ক ও খ এর মোট মূল্য হল ১৫।
২। খ ও গ এর মোট মূল্য হল ১৭।
৩। এমন একটি তাসও নেই যার ফোঁটা হল ৭।
৪। ৯ ফোঁটার বেশি মূল্যের তাসই নেই টেবিলে।
এবার বলো তো, তাসগুলোকে সোজা করে বিছিয়ে দিলে পর-পর কোন তিনটে তাস দেখতে পাব?
৩. দুর্গরহস্য (Durgo Rahasya):
শহরতলিতে একটা দুর্গের মতো বাড়ি। সেই বাড়িতে থাকেন এক বিখ্যাত শিল্পসংগ্রাহক, শ্রীযুক্ত আচার্য। হরেক জিনিস তাঁর সংগ্রহে। পুরনো ছবি, মুদ্রা, মূর্তি, কাঁথা, পুতুল, ঘড়ি—কী নেই। এসব জিনিস থাকে আলাদা পাঁচখানা ঘরে।
অফিসঘরের কাচের আলমারিতেও রয়েছে কিছু টুকিটাকি শিল্পদ্রব্য। এগুলো বিক্রির নয়, তেমন দামিও কিছু নয়।
সেদিন ছিল শনিবার। বহু টাকা দামে দুর্লভ কয়েকটি পিতলের দেবদেবী-মূর্তি কিনে আনলেন আচার্যমশাই। ছোট্ট মূর্তি সব, কিন্তু দুষ্প্রাপ্য ও দামি। তো, সেদিন এই জিনিসগুলোকে তাড়াহুড়োয় কাছের আলমারিতেই পেছন দিকে রেখে চলে গেলেন আচার্যমশাই।
রবিবার সন্ধেবেলা অফিসঘরে ঢুকে আচার্যমশাই অবাক। মূর্তিগুলো সম্পূর্ণ উধাও।
আচার্যমশাই তখনই যোগাযোগ করলেন গোয়েন্দা ব্যোমকেশের সঙ্গে। সোমবার সকালে অফিসঘরে হাজির হলেন ব্যোমকেশবাবু। যে-তিনজন কর্মচারীর অফিসঘরে ঢোকার সুযোগ রয়েছে, সেই তিনজন কর্মচারীকে ডেকে পাঠানো হল।
ব্যোমকেশকে অবশ্য গোয়েন্দারূপে পরিচয় করিয়ে দেননি আচার্যমশাই। বিশিষ্ট এক শিল্পরসিক বলে আলাপ করিয়ে দিয়ে তিনি বললেন, “এই কাচের আলমারিটায় কিছু দুর্লভ শিল্পনিদর্শন রেখেছিলাম শনিবার বিকেলে। আজ দেখছি সেগুলো নেই। তোমাদের কাছে তো অফিসঘরে ঢোকার চাবি থাকে। তোমরা কিছু জানো?”
তিন কর্মচারীর নাম কমল, অমল আর বিমল।
কমল বলল, “এই আলমারিতে কেউ দামি জিনিস রাখে? এতদিন কাজ করছি। কখনও তো দেখিনি।”
আচার্যমশাই উত্তরে বললেন, “তাড়াহুড়োয় রাখা। ভুল হয়ে গিয়েছে।”
অমল বলল, “ভুল তো অন্যভাবেও হতে পারে। এই বাড়িতে কত পেতলের মূর্তিই তো আছে। ওসবের মধ্যেই কোথাও মিশে গেছে হয়তো আপনার মূর্তিগুলো।”
বিমল বলল, “আমি সার গত সপ্তাহটা ছুটিতে ছিলাম। আজই কাজে এসেছি। আমাকে এ-ব্যাপারে কেন ডেকেছেন জানি না।”
কর্মচারী তিনজনকে বিদায় দিয়ে ব্যোমকেশবাবু বললেন, “একজনকে সন্দেহ হচ্ছে।”
কাকে সন্দেহ করতে পারেন গোয়েন্দা ব্যোমকেশ? কেনই-বা? বলতে পারলে বুঝব, তুমিও পাকা গোয়েন্দা।
৪. সত্য বই মিথ্যা নয়
মাস দুই আগে একটা বই বেরিয়েছে। খুবই হইচই ফেলেছে বইটি। একই কলেজে পড়ে পাঁচ বন্ধু। এদের মধ্যে একজনই মাত্র বইটি পড়েছে।
কিন্তু মজার কথা হল, তখন এদের এ-নিয়ে প্রশ্ন করা হল, পাঁচজনই জানাল, বইটি পড়েনি। পাঁচজনের কাছেই তিনটি করে প্রশ্ন রাখা হয়েছিল। কী ধরনের প্রশ্ন, উত্তর থেকেই আঁচ পাবে। এদের উত্তরগুলো অবিকল তুলে দেওয়া হল। একটা জিনিস পরিষ্কার, প্রত্যেকেরই দুটো উত্তর সত্যি, একটা মিথ্যে। কার কোন দুটো উত্তর সত্যি, আর কোন উত্তরটা মিথ্যে, সেটা তোমাদের বের করতে হবে। তাহলেই বুঝবে, এদের মধ্যে কে বইটি পড়েছে।
দেখো তো, আঁচ করতে পারো কি না!
৫. সাতটি তারার তিমির
সপ্তর্ষিমণ্ডল যে এক অনন্ত জিজ্ঞাসা-চিহ্ন, সে-কথা ভেবেই সাতটি তারার তিমির বোধ হয় ব্যবহার করেছিলেন কবি জীবনানন্দ দাশ। কিন্তু ওপরের ছবিতে যে সাতটি তারা, তা নিয়ে আমরা সেই কখন থেকে যে তিমিরে, সেই তিমিরে। কেন?

আর বোলো না। তিনটে সরলরেখা এমনভাবে টানতে হবে যাতে কিনা ওই তারাগুলো প্রত্যেকটা আলাদা-আলাদা খোপে জায়গা পায়। মাত্র তিনটে সরলরেখা।
সহজ কি কঠিন, তোমাদের ওপরেই তা বিচারের ভার রইল। দ্যাখো তো, কী দাঁড়ায়।
৬. অর্জুন, তুমি অর্জুন!

না, এখনই তোমাকে অর্জুন বলছি না। বলব তখনই, যখন নীচের চাঁদমারিটায় তোমার লক্ষ্যভেদ হবে অব্যর্থ। কীভাবে?
বেশ। হাতে তুলে নাও অদৃশ্য বন্দুক। অনিঃশেষ গুলিভরা বন্দুক। চাঁদমারিতে দ্যাখো, প্রত্যেক গোলের মধ্যে সংখ্যা বসানো আছে। সেই সংখ্যা লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে যাও। এক ঘরে একবার কেন, যতবার খুশি গুলি ছুঁড়তে পারো। কিন্তু মনে রেখো, সবশেষে যোগফল হওয়া চাই ঠিক ১০০। কমও নয়, বেশিও নয়। পুরো ১০০।
বলো তো, কতবার গুলি ছুঁড়বে? কোন-কোন ঘরেই-বা ছুঁড়বে?
৭. সেরা সত্যজিৎ (Sera Satyajit)
সত্যজিৎ রায় যে এালের সবথেকে জনপ্রিয় লেখক, তা নিয়ে সন্দেহ নেই। কিন্তু মুশকিল হল, কথাটা বলতে গিয়েও বলা যাচ্ছে না। নীচের ছবির অজস্র অক্ষরের মধ্যে কোথায় যে হারিয়ে গেল কথাটা।
ছবিটায় দেখো তো, সমকালে আমাদের সকলের সবথেকে প্রিয় লেখকের নাম সত্যজিৎ রায়, এই কথাটা খুঁজে পাও কি না। যেখান থেকে খুশি শুরু করো। মনে রেখো, অক্ষর ছুঁয়ে-ছুঁয়ে এর পর ঘরগুলোতে পাশাপাশি যেতে পারো, কোনাকুনি যেতে পারো, ওপরে উঠতে পারো, নীচে নামতে পারো, কিন্তু যা পারো না, তা হল—একই ঘর দু’বার ব্যবহার করতে।

৮. ছয়ে-ছয়ে ছয়লাপ
ছয়ের নামতা মনে আছে? আছে! বেশ, তা হলে বলে যাও। আমি লিখে নিচ্ছি। কী বললে? দাঁড়াও, উত্তর লিখি। ৬, ১২, ১৮, ২৪, ৩০, ৩৬, ৪২, ৪৮, ৫৪—
না, আর বলার দরকার নেই। ৬ একে ছয় থেকে ৬নং চুয়ান্ন—এই-যে পর-পর সংখ্যাগুলো, ছয়ের নামতায় যা আসছে, তা মনে রেখে সংখ্যাগুলোকে বসিয়ে যাও নীচের জাদু বর্গের ন’টা খোপে। এমনভাবে বসাতে হবে যাতে কিনা লম্বালম্বি, পাশাপাশি, কোনাকুনি যেদিক থেকেই যোগ করা হোক-না, উত্তর সব সময়ই হবে—৯০।
যদি পারো, তুমি পাবে—
না, নব্বই কেন, পুরো একশোয় একশো।
৯. মধু গন্ধে ভরা (Madhu Gandhe Bhora) The Scent Bottle Riddle
দুই ভাই— প্রভাসজীবন ও নিবাসরঞ্জন। দু’জনেরই ব্যবসা হল সেন্ট বা সুগন্ধির।
দুই ভাই একসঙ্গে বাইরে গিয়েছিল ব্যবসার কাজে। প্রভাসজীবন বিদেশ থেকে নিয়ে ফিরছিল ৬৪ বোতল সেন্ট। নিবাসরঞ্জন কিনেছিল ২০ বোতল সেন্ট। সেই একই কোম্পানির। তো, ফেরার পথে শুল্ক-অফিস দুই ভাইকেই ধরল। বোতল-পিছু প্রদেয় শুল্ক মিটিয়ে তবে দেশে ফিরতে পারবে। দু’জনেরই নগদ টাকা কম ছিল।
শুল্ক-অফিসের হিসাবমতো প্রভাসজীবন তাই দিল ৫ বোতল সেন্ট ও নগদ ৪০ টাকা।
নিবাসরঞ্জন শুল্ক-অফিসে শুল্ক হিসেবে জমা দিল সেন্টের দুটো বোতল। তাকে অবশ্য শুল্ক-অফিস নগদ ৪০ টাকা ফেরত দিল।
এই লেনদেন ভালভাবে খতিয়ে দেখে বলতে পারো, বোতল-পিছু কত টাকা শুল্ক দিতে হয়েছিল দুই ভাইকে? এক বোতল সেন্টের দামই বা টাকার হিসাবে কত দাঁড়াচ্ছে?
১০. টালি থেকে (Tali Theke) The Geometry Puzzle
নীচের ছবিটি চেনো নিশ্চয়ই। সাধারণ একটা সমকোণী ত্রিভুজ।
এই ত্রিভুজটায় ‘ক’ বাহুর দ্বিগুণ মাপের বাহু হল ‘খ’।
ধরো, এটা একটা টালির মাপ। তো, এইরকম কুড়িটা টালি ইচ্ছেমতো সাজিয়ে একটা নিখুঁত বর্গক্ষেত্র তৈরি করতে হবে।
পারবে?
দেখি, কেমন পারো।
১১. কিস্তিমাত (Kistimat) The Chess-style Grid Puzzle
ছক-কাটা দাবার, কিন্তু কিস্তি অন্যভাবে মাত হবে।
এ-খেলায় রয়েছে ষোলোটা গোল ঘুঁটি।
ঘুঁটিগুলোকে এই খোপর মধ্যে এমনভাবে বসিয়ে দিতে হবে যাতে কিনা আড়াআড়ি, লম্বালম্বি বা কোনাকুনি—যেদিক থেকেই দেখা হোক না কেন, এক সারিতে দুটোর বেশি ঘুঁটি দেখা যাবে না।
দুটো ঘুঁটি বসানো রইল। বাকি চোদ্দটি ঘুঁটি হিসাব করে বসিয়ে দাও তো বাপু।

১২. গোল-বাধানো গোল (Gol-Badhano Gol) The Circular Number Puzzle
কী গোলই না বাধিয়েছে এই গোলের মধ্যের গোলগুলো। আঠারোটা ছোট গোলে বসবে ১ থেকে ১৮। ১ অবশ্য বসানো রয়েছে। কিন্তু বাকিগুলো বসাতে হবে। যেমন-ইচ্ছে তেমনভাবে নয়। এমনভাবে, যাতে কিনা প্রতিটি সরলরেখায় অবস্থিত গোলের মধ্যের সংখ্যাগুলোর যোগফল হয় ৫৭। আবার বড় বৃত্ত-তিনটির পরিধির মধ্যে যেসব গোল, তার মধ্যের সংখ্যাগুলো যোগ করলেও প্রতিক্ষেত্রে উত্তর হওয়া চাই সেই ৫৭।
বসাও তো দেখি।

১৩. গুণ চাই গোনাতেও (Gun Chai Gonateo) The Diamond Counting Puzzle
রুইতনের ছবিতে ভর্তি এই-যে ত্রিভুজ, এর মধ্যে ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ক’টা রুইতন রয়েছে, চটপট গুনে ফেলো তো। রুইতন কেমন দেখতে মনে আছে তো! ঠিক এইরকম—
উত্তর (Uttar) Answers / Solutions
১. খেলা যখন (Khela Jakhon):
(১) ‘গ’-চিহ্নিত কাঠিটাকে ডান দিকে সরিয়ে নাও, ‘খ’-এর ঠিক তলায় যেন থাকে কাঠির মধ্যস্থলটা।
(২) এবার ‘ক’ চিহ্নিত কাঠিটাকে সরিয়ে এসে বসাও ‘গ’-চিহ্নিত কাঠির ডান দিকের শেষ প্রান্তের তলায়, ‘ঘ’-এর সঙ্গে সমান্তরালভাবে। দ্যাখো, পয়সা বেরিয়ে এসেছে। গ্লাস অবশ্য উলটে গেছে, তা যাক। উত্তর তো এখন সোজা। তাই না?
৩। দুর্গরহস্য (Durgo Rahasya):
আশ্চর্যমশাই কর্মচারীদের সামনে একবারও বলেননি যে, হারিয়ে-যাওয়া শিল্পনিদর্শনগুলো কী ছিল। অথচ অমল বলল, পিতলের মূর্তির কথা। ‘কী খোয়া গেছে সে জানল কীভাবে? তাই তাকেই সন্দেহ হয়।
৪. সত্য বই মিথ্যা নয় (Logic Puzzle)
ধরা যাক, অলোকের ১ নং উত্তর মিথ্যে। সে বইটি পড়েছে। তা হলে তার ৩ নম্বর উত্তর সত্যি হতে পারে না। কিন্তু প্রত্যেকে একটি করে মিথ্যে বলেছে, বলা আছে। তা হলে অলোকের ১ নং উত্তর সত্যি। সে বইটি পড়েনি।
অলোকের ৩ নং উত্তরও যদি সত্যি হয়, দীপঙ্কর বইটি পড়েছে। কিন্তু তা হলে দীপঙ্করের তিন-তিনটি উত্তরই মিথ্যে প্রতিপন্ন হচ্ছে। তা হতে পারে না। তা হলে অলোকের ৩ নং উত্তর সত্যি। মিথ্যে তা হলে দু’ নম্বর উত্তর। তিন মাসে সে কোনও বই পড়েনি তা নয়, এ-বইটি পড়েনি কিন্তু অন্য বই পড়েছে নিশ্চয়।
একইভাবে তা হলে দীপঙ্করের ১ ও ৩ উত্তর সত্যি। সুতরাং ২ নং উত্তর মিথ্যে। বোঝা গেল ইন্দ্রজিৎ বইটি পড়েনি।
ইন্দ্রজিতের প্রথম উত্তরটি সত্যি। ২ ও ৩-এর মধ্যে কোনটি সত্যি আর কোনটি মিথ্যে এখন যাচাই না করলেও চলবে।
সরিৎ-এর ৩ নং উত্তর মিথ্যে। তা হলে ১ ও ২ উত্তর সত্যি। সরিৎ তা হলে বইটি পড়েনি।
অলোক পড়েনি, দীপঙ্কর পড়েনি, ইন্দ্রজিৎ পড়েনি, সরিৎ পড়েনি। তা হলে নিশ্চিত বিমল বইটি পড়েছে। তা হলে বিমলের ১ নং উত্তর মিথ্যে। ২ ও ৩ সত্যি।
ইন্দ্রজিতের ২ নং উত্তর সত্যি। ৩ নং মিথ্যে—এখন বোঝা যাচ্ছে।
১০. টালি থেকে (Tali Theke) The Geometry Puzzle
২. চিঁড়েতন হরতন ইস্কাবন (Card Puzzle)

৫. সাতটি তারার তিমির(Star Pattern)

৭. সেরা সত্যজিৎ (Sera Satyajit)

৯. মধু গন্ধে ভরা (Madhu Gandhe Bhora) The Scent Bottle Riddle
৫ বোতল সেটের দাম + ৪০ টাকা হল ৬৪ বোতল সেটের ওপর শুল্ক। অন্যদিকে ২ বোতল সেটের দাম – ৪০ টাকা হল ২০ বোতল সেটের ওপর ধার্য শুল্ক। তা হলে ৭ বোতল সেটের দাম হল ৮৪ বোতল সেটের ওপর শুল্ক। তা হলে ১২ বোতল সেটের ওপর যা শুল্ক, তাই হল ১ বোতল সেটের দাম।
তা হলে অন্যভাবে বলতে পারি, ৫ × ১২ বা ৬০ বোতল সেটের ওপর শুল্ক + ৪০ টাকা হল ৬৪ বোতল সেটের ওপর শুল্ক। অর্থাৎ ৪ বোতল সেটের ওপর শুল্ক হল ৪০ টাকা। ১ বোতল সেটের ওপর শুল্ক তা হলে ১০ টাকা।
অর্থাৎ, ১ বোতল সেটের দাম এর বারো গুণ বা ১২০ টাকা।
৬. অর্জুন, তুমি অর্জুন (Number Puzzle)
১৩ লেখা ঘরে ছ’-বার ও ১১ লেখা ঘরে দু’বার। মোট আটবার ছুঁড়লে তবেই শুধু হবে টায়টায় ১০০।
(১৩ × ৬) + (১১ × ২) = ৭৮ + ২২ = ১০০
৮. ছয়ে-ছয়ে ছয়লাপ (Magic Square)
১৩. গুণ চাই গোনাতেও (Gun Chai Gonateo) The Diamond Counting Puzzle
মোট ২০টি রুইতন রয়েছে ছবিতে। নীচে গুনে-গুনে দেখানো হল।
১১. কিস্তিমাত (Kistimat) (Chess/Grid Puzzle)
১২. গোল-বাধানো গোল (Gol-Badhano Gol) The Circular Puzzle
