ধাঁধা-মজা-হেঁয়ালি
বুদ্ধির ধাঁধা উত্তর সহ | Buddhir Dhadha Uttor Soho | Bangla Funny Riddles with Answers | Bangla Dhadha With Answers
প্রথম ধাঁধা ॥ চারজন প্রতিবেশী। একজন ডাক্তার, একজন অধ্যাপক, একজন ইঞ্জিনিয়ার, একজন ব্যারিস্টার। এঁদের পদবী হল সেনগুপ্ত, সেনশর্মা, দাশগুপ্ত, দাসশর্মা। বলা ভাল, পদবীগুলো পরপর বলা হয়নি, এলোমেলোভাবে বলা।
নীচে চারটি তথ্য দেওয়া হল। এই তথ্যগুলো বিশ্লেষণ করে বলতে হবে, কার কোন পদবী।
(ক) দাসশর্মা ও ইঞ্জিনিয়ারের সঙ্গে সেনশর্মার সম্পর্ক ভাল নয়। (খ) দাশগুপ্তের সঙ্গে ডাক্তারের নিবিড় বন্ধুত্ব। (গ) ব্যারিস্টার ভদ্রলোক সেনশর্মার আত্মীয়। (ঘ) অধ্যাপকের সঙ্গে সেনগুপ্ত ও ডাক্তারের বন্ধুত্ব রয়েছে।
দ্বিতীয় ধাঁধা ॥ রথের মেলা থেকে একটা কাকাতুয়া কিনে এনেছিলেন এক ভদ্রলোক। দোকানদার বলেছিল, “মিথ্যে বলব না বাবু, এ খুব দামি জাতের, যা শুনবে তা-ই বলবে।”
ভদ্রলোক কাকাতুয়াকে কথা শেখাতে চাইলেন। কিন্তু কাকাতুয়া কোনো কথাই বলে না। পাখির ডাক্তার দেখালেন। তিনি পরীক্ষা করলেন পাখিটাকে। তারপর বললেন, দোকানদার মিথ্যে বলেনি। কী করে হয়?
তৃতীয় ধাঁধা ॥ নীচের ছবিতে দ্যাখো, চার রকমের তাসের চিহ্ন ইতস্তত ছড়ানো রয়েছে। এক-একটা চিহ্ন—হরতন, রুইতন, ইশকাপন, চিড়িতন—চারটে করে। পুরো চৌখুপিটাকেই এমনভাবে চার ভাগে দাগ টেনে ভাগ করতে হবে যে, এক-এক ভাগে থাকবে এক রকমের সব কটি চিহ্ন। শুধু তাই নয়, ভাগ চারটিও হবে সমান মাপের।

চতুর্থ ধাঁধা ॥ এখানে কয়েকটি তথ্য দেওয়া হল। তথ্যগুলো পড়ে নাও আগে। প্রশ্নটা পরে বলছি।
একটি কলেজের ছাত্র-সংসদ নির্বাচনে প্রধান চারটি পদে ভোটে জয়ী হয়েছে চারজন। এর মধ্যে দু’জন ছেলে, দু’জন মেয়ে।
একটি মেয়ের নাম প্রমিতা। যে-ছেলেটি সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে, সে সম্পাদকের থেকে বেশি ভোট পেলেও, সাহিত্য-সম্পাদকের থেকে কম ভোট পেয়েছে। বন্দনা বা কল্যাণ, এই দু’জনের কেউই সহ-সভাপতি নয়। জ্যোতির্ময়ের থেকে বেশি ভোট পেয়েছে সহ-সভাপতি। সভাপতির পদে যে জিতেছে, তার নাম বন্দনা নয়, কল্যাণও নয়। সাহিত্য-সম্পাদক, যার নাম প্রমিতা নয়, জ্যোতির্ময়ের থেকে বেশি ভোট পেয়েছে। বন্দনা সম্পাদক নয়। প্রমিতা জ্যোতির্ময়ের থেকে বেশি ভোট পেয়েছে। সাহিত্য সম্পাদক হয়েছে একজন মেয়ে। প্রমিতা সভাপতি নয়। জ্যোতির্ময় পেয়েছে কল্যাণের থেকে বেশি ভোট। এবার বলো, কে কোন পদে জিতেছে?
পঞ্চম ধাঁধা ॥ চার অক্ষরের চেনা একটা ইংরেজি শব্দ, প্রথম অক্ষরটা বসাও—
—ENY
ষষ্ঠ ধাঁধা ॥ এই ধাঁধাটির নাম হতে পারে, উনিশ-বিশ। ব্যাপারটা হল, ১ থেকে ৯ পর্যন্ত সব কটি সংখ্যা ছবিতে-দেখানো ত্রিভুজ দুটিতে দু-বার দু-রকমভাবে বসাতে হবে। একটা ত্রিভুজে সংখ্যাগুলো এমনভাবে বসবে যাতে কিনা এক-একটা বাহুর যোগফল হয় ১৯। অন্যটাতে এমনভাবে ফের ১ থেকে ৯ বসবে যাতে কিনা এক-একটা বাহুর যোগফল হয় ২০। দু-ক্ষেত্রেই ১ সংখ্যাটা যেখানে রয়েছে, সেখানেই থাকবে। নাও, এবার বাকি সংখ্যাগুলো নিজে বসাও।

সপ্তম ধাঁধা ॥ ষোলটা দেশলাই-কাঠি দিয়ে নীচের ছবির মতন পাঁচটা বর্গক্ষেত্র তৈরি করো। এর মধ্যে থেকে মাত্র দুটো কাঠিকে এমনভাবে সরিয়ে ফের বসাতে হবে যাতে কিনা চারটে বর্গক্ষেত্র—একই মাপের—মাত্র থাকে, আবার বর্গক্ষেত্রগুলো একে অন্যকে ছুঁয়ে থাকে।

অষ্টম ধাঁধা ॥ নীচে যে-দু’অক্ষরের শব্দ দেওয়া রয়েছে, তার সঙ্গে আরও দুটো অক্ষর যোগ করে শব্দটাকে আরও ছোট করতে হবে। পারবে?
ক্ষুদ্র
ধাঁধা-মজা-হেঁয়ালির সমাধান
উত্তর ৷৷ (১) সেনশর্মা ইঞ্জিনিয়ার নয় (ক) ব্যারিস্টার নয় (গ)। তাহলে সে হয় অধ্যাপক, নয় ডাক্তার। অধ্যাপকের সঙ্গে বাকি তিনজনের মধ্যে দু’জনের সম্পর্ক ভাল (ঘ) সেনশর্মার সম্পর্ক দু’জনের সঙ্গে খারাপ (ক)। সুতরাং সেনশর্মা অধ্যাপক নয়, ডাক্তার।
ইঞ্জিনিয়ার দাশশর্মা নয়, সেনশর্মাও নয় (ক), দাশগুপ্ত নয়, কেননা, ডাক্তার বা সেনশর্মার সঙ্গে দাশগুপ্তের বন্ধুত্ব (খ), সুতরাং ইঞ্জিনিয়ারের পদবী সেনগুপ্ত।
দাশশর্মার সঙ্গে সেনশর্মার (ডাক্তার) সম্পর্ক ভাল নয় (ক), অথচ অধ্যাপক ডাক্তারের বন্ধু (ঘ), তাহলে অধ্যাপক দাশশর্মা নয়, দাশগুপ্ত। দাশশর্মা ব্যারিস্টার।
(২) কাকাতুয়াটা আসলে বধির। দোকানদার বলেছিল, যা শুনবে তাই বলবে। না শুনলে আর কী করে বলবে?
(৩)

(৪) তথ্য বেশিই দেওয়া রয়েছে। উত্তরটা শুধু মিলিয়ে নাও— জ্যোতির্ময় সভাপতি। কল্যাণ সম্পাদক। প্রমিতা সহ-সভাপতি। সাহিত্য-সম্পাদক বন্দনা।
(৫) DENY
(৬)

(৭)

(৮) ক্ষুদ্রতর