
WBSCHE Class 12 Economics Semester IV Chapter 5
অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি – Inclusive Growth
WBSCHE Class 12 Economics Semester IV Chapter 5 অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি – Inclusive Growth
WBSCHE Class 12 Economics Semester IV Chapter 5
Hello Viewers Today’s We are going to Share WBSCHE Class 12 Economics Semester IV Chapter 5
অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি – Inclusive Growth Question Answer in Bengali.
The Complete Syllabus of WBSCHE Class 12 Economics Semester IV Chapter 5
অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি – Inclusive Growth Budget Notes in Bengali PDF Share with you.
WBSCHE Class 12 Economics Semester IV Chapter 5 পরিষেবা ক্ষেত্র – Service Sector
Solutions in Bengali Which you Can Download PDF Notes HS 2nd Year Economics Solutions in Bengali for
using direct Download Link Given Below in This Post.
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর (SAQ)
প্রশ্ন ১: অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির প্রধান উপাদানগুলো কী কী?
উঃ ভূমিকা: কেবল GDP বৃদ্ধি নয়, বরং সমাজের সব স্তরের মানুষের উন্নয়ন নিশ্চিত করাই হলো অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি।
দারিদ্র্য দূরীকরণ: সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের আয় বাড়িয়ে তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা।
কর্মসংস্থান সৃষ্টি: উৎপাদনশীল কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে বেকারত্ব কমানো।
মৌলিক পরিষেবা: শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং পানীয় জলের মতো পরিষেবা সবার জন্য নিশ্চিত করা।
আঞ্চলিক ভারসাম্য: উন্নত ও অনুন্নত অঞ্চলের মধ্যে উন্নয়নের ব্যবধান কমিয়ে আনা।
উপসংহার: এই উপাদানগুলোর সঠিক সমন্বয়ই একটি দেশের প্রকৃত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারে৷
প্রশ্ন ২: ভারতে দারিদ্র্য দূরীকরণে ‘মনরেগা’ (MGNREGA ) প্রকল্পের ভূমিকা লেখো৷
উঃ ভূমিকা: গ্রামীণ দারিদ্র্য দূরীকরণে ১০০ দিনের কাজের প্রকল্প বা মনরেগা একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ৷
কাজের নিশ্চয়তা: এই প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ অদক্ষ শ্রমিকদের বছরে অন্তত ১০০ দিনের কাজের আইনি গ্যারান্টি দেওয়া হয়।
সম্পদ সৃষ্টি: এই প্রকল্পের অধীনে রাস্তাঘাট নির্মাণ বা জলাশয় খননের ফলে গ্রামীণ পরিকাঠামো উন্নত হয়।
নারীর ক্ষমতায়ন: এই প্রকল্পে মহিলাদের জন্য কাজের সংরক্ষণ থাকায় গ্রামীণ নারীরা আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছে।
উপসংহার: যদিও কিছু প্রশাসনিক ত্রুটি রয়েছে, তবুও গ্রামীণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়াতে এই প্রকল্প অত্যন্ত সফল৷
প্রশ্ন ৩: ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি (Digital Inclusion) কীভাবে সাধারণ মানুষের সাহায্য করে?
উঃ ভূমিকা: বর্তমান যুগে ডিজিটাল প্রযুক্তি ছাড়া উন্নয়ন অসম্ভব, তাই সবার কাছে ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়া জরুরি।
সরকারি পরিষেবা: সরাসরি সুবিধা হস্তান্তর (DBT)-এর মাধ্যমে সরকারি অনুদান সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাচ্ছে।
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য: অনলাইন ক্লাস এবং টেলি-মেডিসিনের মাধ্যমে গ্রামের মানুষ উন্নত পরিষেবা পাচ্ছে।
আর্থিক লেনদেন: UPI-এর মাধ্যমে ছোট ব্যবসায়ীরাও এখন খুব সহজে লেনদেন করতে পারছে।
উপসংহার: ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি দুর্নীতির সুযোগ কমিয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করেছে৷
প্রশ্ন ৪: ভারতে মানব উন্নয়ন সূচক (HDI) কম হওয়ার কারণগুলি কী কী?
উঃ ভূমিকা: মাথাপিছু আয় বাড়লেও মানব উন্নয়ন সূচকে ভারত অনেক দেশের তুলনায় পিছিয়ে আছে৷
স্বাস্থ্য পরিকাঠামো: গ্রামগঞ্জে উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থার অভাব এবং শিশুমৃত্যুর হার এখনো একটি বড় চ্যালেঞ্জ৷
শিক্ষার গুণগত মান: সাক্ষরতার হার বাড়লেও মানসম্মত শিক্ষা ও কারিগরি দক্ষতার অভাব রয়েছে৷
পুষ্টির অভাব: শিশু ও মহিলাদের মধ্যে অপুষ্টি ও রক্তাল্পতা মানব উন্নয়নের মান কমিয়ে দেয়।
উপসংহার: শিক্ষার বিস্তার এবং স্বাস্থ্য খাতে সরকারি বরাদ্দ বাড়ালে এই সূচকে উন্নতি সম্ভব৷
প্রশ্ন ৫: স্থিতিশীল উন্নয়ন (Sustainable Development) বলতে কী বোঝো?
উঃ ভূমিকা: বর্তমানের প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্য সম্পদ রক্ষা করাই হলো স্থিতিশীল উন্নয়ন।
সম্পদ সংরক্ষণ: খনিজ তেল বা কয়লার মতো অনবায়নযোগ্য সম্পদের পরিমিত ব্যবহার নিশ্চিত করা।
পরিবেশ রক্ষা: দূষণ কমিয়ে প্রকৃতি ও বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য বজায় রাখা।
বিকল্প শক্তি: সৌরশক্তি বা বায়ুশক্তির মতো পরিবেশবান্ধব শক্তির ব্যবহার বাড়ানো।
উপসংহার: ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুন্দর জীবন নিশ্চিত করাই এই উন্নয়নের মূল দর্শন৷
প্রশ্ন ৬: অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধিতে নারীদের অংশগ্রহণের গুরুত্ব আলোচনা করো৷
উঃ ভূমিকা: দেশের অর্ধেক জনসংখ্যা হলো নারী, তাই তাদের বাদ দিয়ে সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি সম্ভব নয়।
আর্থিক স্বাবলম্বিতা: নারীরা কাজে অংশগ্রহণ করলে পরিবারের আয় বাড়ে এবং দারিদ্র্য দ্রুত দূর হয়।
সামাজিক উন্নয়ন: শিক্ষিত ও স্বাবলম্বী নারী একটি শিক্ষিত ও সুস্থ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখে।
উদ্যোক্তা তৈরি: বর্তমানে সরকারি ঋণের সাহায্যে মহিলারা ছোট শিল্প গড়ে তুলছেন।
উপসংহার: নারীর ক্ষমতায়ন অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির একটি প্রধান পূর্বশর্ত৷
প্রশ্ন ৭: ভারতে বেকারত্ব সমস্যার সমাধানে বৃত্তিমূলক শিক্ষার (Vocational Education) গুরুত্ব লেখো৷
উঃ ভূমিকা: কেবল পুঁথিগত বিদ্যা নয়, কাজের দক্ষতা বৃদ্ধিই বেকারত্ব দূর করার সঠিক পথ।
হাতে-কলমে শিক্ষা: কারিগরি শিক্ষার ফলে ছাত্রছাত্রীরা পড়াশোনা শেষ করেই কাজ পাওয়ার যোগ্য হয়ে ওঠে।
শিল্পের চাহিদা: বর্তমানে কলকারখানায় দক্ষ শ্রমিকের খুব চাহিদা, যা বৃত্তিমূলক শিক্ষা পূরণ করতে পারে।
স্বনির্ভরতা: এই শিক্ষা নিয়ে যুবক-যুবতীরা নিজেরা ছোট ব্যবসা শুরু করে স্বাবলম্বী হতে পারে৷
উপসংহার: স্কিল ইন্ডিয়া বা দক্ষতা বৃদ্ধির প্রকল্পগুলো এই দিশায় কাজ করছে৷
দীর্ঘ উত্তরধর্মী প্রশ্ন (LAQ)
WBSCHE Class 12 Economics Semester IV Chapter 5 অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি – Inclusive Growth
Today’s We have Shared in This Post WBSCHE Class 12 Economics Semester IV Chapter 5 অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি – Inclusive Growth
Suggestions with you. WBSCHE Class 12 Economics Semester IV Chapter 5
অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি – Inclusive Growth Questions Answers in Bengali I Hope, you
Liked The information About The Class 12 Economics Textbook Solutions
in Bengali. If you liked Class 12 Economics Textbook PDF Notes in Bengali
Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.
প্রশ্ন ৮: ভারতে আয় বৈষম্য দূরীকরণে সরকারি পদক্ষেপগুলি বিস্তারিত আলোচনা করো৷
উঃ ভূমিকা: ভারতের মতো উন্নয়নশীল দেশে সম্পদ ও আয়ের অসম বণ্টন একটি বড় সমস্যা। এই বৈষম্য কমাতে সরকার বিভিন্ন নীতি গ্রহণ করেছে।
প্রগতিশীল কর ব্যবস্থা: সরকার ধনীদের ওপর উচ্চহারে আয়কর এবং বিলাসদ্রব্যের ওপর বেশি GST ধার্য করে। এই সংগৃহীত কর দরিদ্রদের জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করা হয়।
ভর্তুকি ও রেশন ব্যবস্থা: নিম্নবিত্ত মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রেশন ব্যবস্থার মাধ্যমে সস্তায় চাল-গম দেওয়া হয়। এছাড়া রান্নার গ্যাস বা বিদ্যুতেও ভর্তুকি দেওয়া হয়।
সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প: বার্ধক্য ভাতা, বিধবা ভাতা এবং কৃষকদের জন্য পিএম-কিষাণ (PM- KISAN) প্রকল্পের মাধ্যমে সরাসরি টাকা পাঠানো হয়। এটি দরিদ্র পরিবারের আয় বাড়াতে সাহায্য করে।
বিনামূল্যে পরিষেবা: সরকারি বিদ্যালয় ও হাসপাতালে বিনামূল্যে শিক্ষা ও চিকিৎসা প্রদান করা হয়। এতে গরিব মানুষের জীবনধারণের খরচ কমে এবং বৈষম্য দূর হয়৷
কর্মসংস্থান কর্মসূচি: ১০০ দিনের কাজের মতো প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ স্তরে কাজের সুযোগ তৈরি করে সরকার আয়ের ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করে৷
উপসংহার: সরকারি এই প্রচেষ্টাসমূহ বৈষম্য কমাতে সাহায্য করলেও গ্রামীণ ও শহরের মধ্যে পার্থক্যের অবসান ঘটাতে আরও জোরালো পদক্ষেপ প্রয়োজন৷
প্রশ্ন ৯: ভারতের স্বাস্থ্যক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনাগুলি ব্যাখ্যা করো
উঃ ভূমিকা: একটি সুস্থ জাতিই শক্তিশালী অর্থনীতির ভিত্তি। ভারতে সবার জন্য স্বাস্থ্য পরিষেবা নিশ্চিত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প: সরকার এই প্রকল্পের মাধ্যমে দরিদ্র পরিবারগুলোকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসার বিমা প্রদান করছে। এটি চিকিৎসা খাতে মানুষের ব্যক্তিগত খরচ অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে।
গ্রাম ও শহরের ব্যবধান: ভারতে উন্নত হাসপাতালগুলো মূলত বড় শহরগুলোতে অবস্থিত। গ্রামের মানুষকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দীর্ঘ পথ যেতে হয়, যা এখনো একটি বড় সমস্যা।
প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের উন্নয়ন: গ্রামীণ স্তরে উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও হেলথ অ্যান্ড ওয়েলনেস সেন্টার খোলার মাধ্যমে দোরগোড়ায় পরিষেবা পৌঁছানোর চেষ্টা চলছে।
ডিজিটাল হেলথ মিশন: অনলাইন রিপোর্টিং এবং ডিজিটাল হেলথ কার্ডের মাধ্যমে রোগীর চিকিৎসার ইতিহাস রাখা সহজ হচ্ছে, যা উন্নত চিকিৎসার পথ প্রশস্ত করছে।
অপুষ্টি ও মা-শিশুর স্বাস্থ্য: অঙ্গনওয়াড়ি এবং মিড-ডে মিলের মাধ্যমে পুষ্টির ঘাটতি মেটানোর চেষ্টা করা হচ্ছে যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সুস্থভাবে বেড়ে ওঠে৷
উপসংহার: স্বাস্থ্য খাতে বাজেটে বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ পরিকাঠামো মজবুত করলে ভারত স্বাস্থ্যক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারবে৷
প্রশ্ন ১০: দারিদ্র্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির মধ্যে সম্পর্ক বিস্তারিত আলোচনা করো৷
উঃ ভূমিকা: দারিদ্র্য বিমোচন ছাড়া অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি কেবল একটি শব্দমাত্র। এই দুটি ধারণা একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
দারিদ্র্য প্রবৃদ্ধির অন্তরায়: একটি বিশাল জনগোষ্ঠী যদি দারিদ্র্যের সীমার নিচে থাকে, তবে তারা অর্থনীতিতে কার্যকর চাহিদা তৈরি করতে পারে না। ফলে শিল্পের বিকাশ থমকে যায় ।
দক্ষ মানবসম্পদ গঠন: অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে গরিব মানুষকে শিক্ষা ও দক্ষতা দিলে তারা সম্পদে পরিণত হয়। এটি দেশের উৎপাদন ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।
সুযোগের সমতা: প্রবৃদ্ধি তখনই অন্তর্ভুক্তিমূলক হয় যখন দরিদ্র মানুষও শিক্ষা, ঋণ এবং বাজারের সুবিধা সমানভাবে পায়। এটি তাদের আয়ের স্তর বাড়াতে সাহায্য করে।
ভৌত পরিকাঠামো: পিছিয়ে পড়া অঞ্চলে রাস্তা, বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেট পৌঁছে দিলে সেখানকার মানুষের ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ বাড়ে এবং দারিদ্র্য কমে৷
আর্থিক অন্তর্ভুক্তি: ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে গরিব মানুষকে ঋণ ও সঞ্চয়ের সুবিধা দেওয়া অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির একটি বড় অংশ যা দারিদ্র্য জয় করতে সাহায্য করে৷
উপসংহার: পরিশেষে, দারিদ্র্য দূরীকরণই হলো অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির মূল মাপকাঠি এবং চূড়ান্ত লক্ষ্য৷
প্রশ্ন ১১: টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) অর্জনে ভারতের ভূমিকা ও অগ্রগতির মূল্যায়ন করো৷
উঃ ভূমিকা: রাষ্ট্রসংঘ ঘোষিত ১৭টি লক্ষ্যমাত্রাকে সামনে রেখে ২০৩০ সালের মধ্যে এক উন্নত বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যেই কাজ করছে ভারত।
দারিদ্র্য ও ক্ষুধা মুক্তি: ‘উজ্জ্বলা যোজনা’ বা ‘প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা’র মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। বিনামূল্যে খাদ্যশস্য বিতরণ ক্ষুধা মুক্তির পথে এক বড় পদক্ষেপ।
পরিচ্ছন্নতা ও জল: ‘স্বচ্ছ ভারত অভিযান’ এবং ‘জল জীবন মিশন’-এর মাধ্যমে প্রতিটি বাড়িতে শৌচাগার ও পরিশ্রুত পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এটি SDG-৬ লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সহায়ক।
পরিবেশ ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি: সৌরশক্তি উৎপাদনে ভারত বর্তমানে বিশ্বে সামনের সারিতে। ২০৭০ সালের মধ্যে নেট-জিরো কার্বন নিঃসরণের লক্ষ্য নিয়ে ভারত পরিবেশ রক্ষায় বড় ভূমিকা নিচ্ছে।
শিক্ষা ও লিঙ্গ সাম্য: ‘বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও’ প্রকল্পের মাধ্যমে মেয়েদের শিক্ষায় উৎসাহিত করা হচ্ছে। নতুন শিক্ষানীতি (NEP) শিক্ষার গুণগত মান বাড়িয়ে SDG-৪ পূরণে সাহায্য করছে।
নীতি আয়োগের ভূমিকা: ভারতে SDG ইন্ডেক্সের মাধ্যমে রাজ্যগুলোর উন্নয়নের তুলনা করা হয়, যা সুস্থ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে লক্ষ্যপূরণে গতি আনে৷
উপসংহার: চ্যালেঞ্জ থাকলেও ভারত তার বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ প্রকল্পের মাধ্যমে SDG লক্ষ্যমাত্ৰা অর্জনে দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে৷
প্রশ্ন ১২: ভারতের অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের (MSME) ভূমিকা আলোচনা করো৷
উঃ ভূমিকা: MSME খাতকে ভারতের অর্থনীতির মেরুদণ্ড বলা হয়। এটি অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জনের সবচেয়ে বড় ক্ষেত্ৰ৷
বিপুল কর্মসংস্থান: কৃষির পর এই খাতটি সবচেয়ে বেশি মানুষকে কাজ দেয়। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় এটি কর্মসংস্থানের প্রধান উৎস৷
আঞ্চলিক ভারসাম্য: ক্ষুদ্র শিল্পগুলো দেশের ছোট শহর ও গ্রামে ছড়িয়ে থাকায় এটি শহরমুখী অভিবাসন কমায় এবং স্থানীয় সম্পদ ব্যবহার করে উন্নয়ন নিশ্চিত করে।
নারীর অংশগ্রহণ: এই খাতে প্রচুর মহিলা উদ্যোক্তা কাজ করেন, যা সামাজিক অন্তর্ভুক্তিতে সাহায্য করে।
রপ্তানি ও আয়: ভারতের মোট রপ্তানির প্রায় ৪৫% আসে এই ক্ষেত্র থেকে। এর ফলে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয় এবং দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হয়।
স্বল্প মূলধনে উন্নয়ন: অনেক কম পুঁজি নিয়ে সাধারণ মানুষ এখানে ব্যবসা শুরু করতে পারে, যা অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির মূল কথা৷
উপসংহার: MSME খাতের উন্নয়ন মানেই হলো সমাজের একদম নিচুতলার মানুষের উন্নয়ন৷
প্রশ্ন ১৩: অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধিতে ব্যাংকিং পরিষেবা ও জন-ধন যোজনার গুরুত্ব লেখো
উঃ ভূমিকা: আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ছাড়া কোনো উন্নয়নই অন্তর্ভুক্তিমূলক হতে পারে না। এই লক্ষ্যে ‘প্রধানমন্ত্রী জন-ধন যোজনা’ এক বিশাল বিপ্লব ঘটিয়েছে।
ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সুবিধা: কোটি কোটি দরিদ্র মানুষ প্রথমবারের মতো ব্যাংকের সাথে যুক্ত হয়েছে। এর ফলে তাদের সঞ্চয়ের অভ্যাস তৈরি হচ্ছে এবং তারা সুদ পাচ্ছে।
সরাসরি সুবিধা হস্তান্তর (DBT): গ্যাসের ভর্তুকি বা বার্ধক্য ভাতার টাকা মাঝপথে চুরি না হয়ে সরাসরি ব্যাংকে জমা পড়ছে। এটি দুর্নীতির পথ বন্ধ করেছে৷
ঋণ ও বিমার সুযোগ: জন-ধন অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে গরিব মানুষ ওভারড্রাফট সুবিধা এবং দুর্ঘটনা বিমার সুযোগ পাচ্ছে, যা তাদের আর্থিক নিরাপত্তা দেয়।
ডিজিটাল পেমেন্ট: ছোট দোকানদার থেকে ঠেলাওয়ালা—সবাই এখন ডিজিটাল লেনদেন করতে পারছে, যা তাদের মূল অর্থনীতির মূলধারার সাথে যুক্ত করেছে৷
আর্থিক স্বাক্ষরতা: ব্যাংকের সংস্পর্শে আসায় সাধারণ মানুষ আর্থিক পরিকল্পনা ও সরকারি প্রকল্প সম্পর্কে অনেক বেশি সচেতন হয়েছে৷
উপসংহার: জন-ধন যোজনা ভারতের অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক মোড়৷
প্রশ্ন ১৪: ভারতের খাদ্য নিরাপত্তা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি সম্পর্কে বিস্তারিত টীকা লেখো৷
উঃ ভূমিকা: ক্ষুধার্ত মানুষের পক্ষে কোনো প্রবৃদ্ধিতে অংশ নেওয়া সম্ভব নয়। তাই জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা আইন (NFSA) অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির একটি স্তম্ভ।
রেশন ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ: বায়োমেট্রিক এবং ‘ওয়ান নেশন ওয়ান রেশন কার্ড’-এর মাধ্যমে পরিযায়ী শ্রমিকরাও এখন দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে খাবার সংগ্রহ করতে পারছে৷
পুষ্টি নিশ্চিতকরণ: কেবল পেট ভরানো নয়, চালে ফর্টিফিকেশন বা ভিটামিন মিশিয়ে দিয়ে অপুষ্টির বিরুদ্ধে লড়াই করছে সরকার৷
কৃষকদের সহায়তা: কৃষকদের থেকে সঠিক দামে (MSP) শস্য কিনে সরকার বাফার স্টক তৈরি করে, যা আপৎকালীন সময়ে খাদ্যের জোগান নিশ্চিত করে।
সামাজিক ন্যায়বিচার: সমাজের অতি দরিদ্র পরিবারগুলোকে ‘অন্ত্যোদয় অন্ন যোজনা’র মাধ্যমে অত্যন্ত সস্তায় খাবার দেওয়া হয়, যা বৈষম্য কমায়।
শিশু ও প্রসূতিদের যত্ন: মিড-ডে মিল এবং আইসিডিএস (ICDS) কেন্দ্রের মাধ্যমে মা ও শিশুদের পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ করা হয়৷
উপসংহার: খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমেই ভারত একটি স্বাস্থ্যকর ও উৎপাদনশীল মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সফল হচ্ছে



