
Brief Reference to Colonial Past Advantages and Disadvantages
ঔপনিবেশিক অর্থনীতির সংক্ষিপ্ত আলোচনা
ঔপনিবেশিক অতীত: সুবিধা ও অসুবিধা
ভূমিকা
ঔপনিবেশিকতা হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা যেখানে একটি শক্তিশালী দেশ অন্য একটি দেশের উপর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে। ইতিহাসে ইউরোপীয় দেশগুলো এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার বহু অঞ্চলে এই শাসন চালু করেছিল।এই শাসনের ফলে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন এলেও, এর নেতিবাচক প্রভাব দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দেশে অনুভূত হচ্ছে।
ঔপনিবেশিকতার সুবিধা
১. অবকাঠামোর উন্নয়ন:ঔপনিবেশিক শক্তিগুলো রেলপথ, সড়ক, বন্দর এবং টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি করেছিল। এসব উন্নয়ন আজও অনেক দেশের অর্থনীতির ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।
২. আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা:অনেক উপনিবেশে পাশ্চাত্য শিক্ষা ব্যবস্থা চালু হয়, যার ফলে নতুন জ্ঞান ও চিন্তার বিকাশ ঘটে।
৩. স্বাস্থ্যসেবার উন্নতি:হাসপাতাল ও চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন জনস্বাস্থ্যের উন্নতিতে সহায়তা করে।
৪. আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রসার:উপনিবেশগুলোর মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য ও যোগাযোগ বৃদ্ধি পায়, যা পরবর্তীতে বিশ্বায়নের পথ সুগম করে।
৫. প্রশাসনিক কাঠামো:অনেক দেশে আধুনিক প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা গড়ে ওঠে, যা স্বাধীনতার পরও ব্যবহৃত হচ্ছে।
ঔপনিবেশিকতার অসুবিধা
১. অর্থনৈতিক শোষণ:উপনিবেশগুলোকে মূলত কাঁচামালের উৎস হিসেবে ব্যবহার করা হতো, যা স্থানীয় অর্থনীতিকে দুর্বল করে দেয়।
২. সাংস্কৃতিক ক্ষয়:স্থানীয় ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য অনেক ক্ষেত্রে হারিয়ে যেতে থাকে বা গুরুত্ব হারায়।
৩. রাজনৈতিক অধিকারহীনতা:স্থানীয় জনগণের শাসন ব্যবস্থায় অংশগ্রহণের সুযোগ ছিল না।
৪. মানবাধিকার লঙ্ঘন:অনেক ক্ষেত্রে জোরপূর্বক শ্রম, দাসপ্রথা এবং অত্যাচার চালানো হয়েছে।
৫. অর্থনৈতিক নির্ভরতা:উপনিবেশগুলোকে এমনভাবে গড়ে তোলা হয়েছিল যাতে তারা শাসক দেশের উপর নির্ভরশীল থাকে।
৬. সামাজিক বৈষম্য:শাসক ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে বৈষম্য তৈরি হয়, যা দীর্ঘমেয়াদে সমাজে প্রভাব ফেলে।
উপসংহার
ঔপনিবেশিকতা ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এটি কিছু উন্নয়ন আনলেও এর নেতিবাচক প্রভাব বেশি গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী। তাই এই ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও সমতাভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলা প্রয়োজন।
অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর
প্রশ্ন ১.ঔপনিবেশিক অর্থনীতি (Colonial Economy) বলতে কী বোঝো?
উঃ যখন একটি দেশ অন্য একটি শক্তিশালী দেশের অধীনে থাকে এবং তার সম্পদ শাসক দেশটির স্বার্থে ব্যবহৃত হয়।
প্রশ্ন ২. ব্রিটিশ শাসনে ভারতের অর্থনীতির মূল লক্ষ্য কী ছিল?
উঃ ইংল্যান্ডের শিল্প বিপ্লবের জন্য সস্তায় কাঁচামাল সরবরাহ করা এবং ব্রিটিশ পণ্যের বাজার হিসেবে ভারতকে ব্যবহার করা ।
প্রশ্ন ৩. ‘সম্পদ নির্গমন’ (Drain of Wealth) তত্ত্বটি কে দিয়েছিলেন?
উঃ দাদাভাই নওরোজি।
প্রশ্ন 8.সম্পদ নির্গমন বলতে কী বোঝায়?
উঃ ভারতের সম্পদ কোনো প্রতিদান ছাড়াই নিরবচ্ছিন্নভাবে ইংল্যান্ডে চলে যাওয়া।
প্রশ্ন ৫. ‘Home Charges’ বা গৃহ ব্যয় কী?
উঃ ইংল্যান্ডে ভারত সচিবের অফিসের খরচ এবং ব্রিটিশ কর্মকর্তাদের পেনশনের জন্য ভারতের রাজস্ব থেকে পাঠানো অর্থ।
প্রশ্ন ৬. ঔপনিবেশিক শাসনে ভারতের মাথাপিছু আয়ের অবস্থা কেমন ছিল?
উঃ মাথাপিছু আয় অত্যন্ত কম ছিল এবং দীর্ঘ সময় ধরে তা স্থবির হয়ে ছিল।
প্রশ্ন ৭. ডি-ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশন (De-industrialization) বা বি-শিল্পায়ন কী?
উঃ ব্রিটিশদের বৈষম্যমূলক নীতির ফলে ভারতের ঐতিহ্যবাহী কুটির ও হস্তশিল্পের ধ্বংস হয়ে যাওয়া।
প্রশ্ন ৮. চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত (Permanent Settlement) কে চালু করেন?
উঃ লর্ড কর্নওয়ালিস ১৭৯৩ সালে।
প্রশ্ন ৯. রায়তওয়ারি ব্যবস্থা ভারতের কোন অঞ্চলে প্রচলিত ছিল?
উঃ মূলত দক্ষিণ ও পশ্চিম ভারতে (মাদ্রাজ ও বোম্বে প্রেসিডেন্সিতে)।
প্রশ্ন ১০. মহলওয়ারি ব্যবস্থা কী?
উঃ যেখানে ব্যক্তিগতভাবে নয়, বরং গ্রামের একটি সমষ্টি বা ‘মহল’-এর ওপর রাজস্ব আদায়ের দায়িত্ব দেওয়া হতো।
প্রশ্ন ১১. বাণিজ্যিকীকরণ (Commercialization of Agriculture) বলতে কী বোঝো?
উঃ খাদ্যের পরিবর্তে নীল, তুলা, চা বা পাটের মতো অর্থকরী ফসল চাষে চাষিদের বাধ্য করা।
প্রশ্ন ১২. নীল বিদ্রোহ কেন হয়েছিল?
উঃ ব্রিটিশ নীলকরদের অত্যাচারে এবং জোরপূর্বক নীল চাষের বিরুদ্ধে চাষিদের প্রতিবাদ হিসেবে।
প্রশ্ন ১৩. ঔপনিবেশিক শাসনে ভারতের প্রধান রপ্তানি পণ্য কী ছিল?
উঃ কাঁচা তুলা, নীল, কাঁচা রেশম এবং খাদ্যশস্য।
প্রশ্ন ১৪. ঔপনিবেশিক শাসনে ভারতের প্রধান আমদানি পণ্য কী ছিল?
উঃ ইংল্যান্ডের কারখানায় তৈরি সুতি বস্ত্র এবং অন্যান্য বিলাসদ্রব্য।
প্রশ্ন ১৫. ভারতীয় রেলপথের প্রবর্তন কবে হয়?
উঃ ১৮৫৩ সালে।
প্রশ্ন ১৬. ব্রিটিশরা কেন ভারতে রেলপথ তৈরি করেছিল?
উঃ বন্দর থেকে কাঁচামাল সংগ্রহ এবং সামরিক বাহিনীকে দ্রুত মোতায়েন করার সুবিধার্থে।
প্রশ্ন ১৭. ব্রিটিশ আমলে ভারতের বৃহৎ শিল্পায়নের একটি উদাহরণ দাও।
উঃ টাটা আয়রন অ্যান্ড স্টিল কোম্পানি (TISCO), যা ১৯০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
প্রশ্ন ১৮. ‘Managing Agency System’ কী?
উঃ ঔপনিবেশিক ভারতে ব্যবসা ও কলকারখানা পরিচালনার একটি বিশেষ ব্রিটিশ পদ্ধতি৷
প্রশ্ন ১৯. ঔপনিবেশিক অর্থনীতিতে কৃষি ব্যবস্থার প্রধান সমস্যা কী ছিল?
উঃ সেচ ব্যবস্থার অভাব এবং উচ্চ হারের ভূমি রাজস্ব।
প্রশ্ন ২০. গ্রেট ফেমিন (Great Famine) বা মহাদুর্ভঙ্গ বলতে কী বোঝো?
উঃ ব্রিটিশ শাসনকালে বাংলায় ১৯৪৩ সালে হওয়া ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ।
প্রশ্ন ২১. ঔপনিবেশিক শাসনে ভারতের ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রকৃতি কেমন ছিল?
উঃ এটি মূলত ব্রিটিশ মূলধন এবং ব্রিটিশ স্বার্থ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ছিল।
প্রশ্ন ২২. ওয়ান-ওয়ে ফ্রি ট্রেড (One way Free Trade) কী ?
উঃ ব্রিটিশ পণ্য ভারতে বিনা শুল্কে আসত, কিন্তু ভারতীয় পণ্যের ওপর ইংল্যান্ডে উচ্চহারে শুল্ক বসানো হতো।
প্রশ্ন ২৩. সম্পদ নির্গমনের একটি মাধ্যম কী ছিল?
উঃ ভারতে কর্মরত ব্রিটিশ কর্মচারীদের বেতন এবং সঞ্চয় বিদেশে পাঠানো।
প্রশ্ন ২৪. ভারতের সুতি বস্ত্র শিল্প ধ্বংস হওয়ার প্রধান কারণ কী ?
উঃ ইংল্যান্ডের যান্ত্রিক কারখানার সস্তা কাপড়ের সাথে অসম প্ৰতিযোগিতা।
প্রশ্ন ২৫. ঔপনিবেশিক অর্থনীতিতে নগরায়নের প্রকৃতি কেমন ছিল?
উঃ নগরায়ন ছিল অত্যন্ত ধীর এবং মূলত বন্দর কেন্দ্রিক।
প্রশ্ন ২৬. ভারতের দারিদ্র্যের জন্য দাদাভাই নওরোজি কাকে দায়ী করেন?
উঃ ব্রিটিশদের শোষণমূলক অর্থনৈতিক নীতিকে
প্রশ্ন ২৭. নীল চাষের জন্য চাষিদের যে অগ্রিম টাকা দেওয়া হতো তাকে কী বলে?
উঃ দাদন।
প্রশ্ন ২৮. ভারতে প্রথম পাটকল কোথায় স্থাপিত হয়েছিল?
উঃ ১৮৫৫ সালে রিষড়ায়৷
প্রশ্ন ২৯. ঔপনিবেশিক আমলে ভারতের শিক্ষার হার কেমন ছিল?
উঃ অত্যন্ত কম, বিশেষত নারী শিক্ষার হার ছিল নগণ্য।
প্রশ্ন ৩০. ব্রিটিশ আমলে জমিদারি প্রথার নেতিবাচক প্রভাব কী ছিল?
উঃ চাষিদের ওপর অতিরিক্ত করের বোঝা এবং শোষণের বৃদ্ধি।
প্রশ্ন ৩১. ঔপনিবেশিক শাসনে ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্যের উদ্বৃত্ত কোথায় ব্যবহৃত হতো?
উঃ ব্রিটিশদের যুদ্ধের খরচ মেটাতে এবং প্রশাসনের প্রয়োজনে।
প্রশ্ন ৩২. ঔপনিবেশিক অর্থনীতির একটি সুবিধা কী ছিল?
উঃ আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা যেমন রেলপথ ও টেলিগ্রাফের প্রবর্তন।
প্রশ্ন ৩৩. ঔপনিবেশিক অর্থনীতির একটি প্রধান অসুবিধা কী?
উঃ ভারতীয় শিল্পের বিনাশ এবং কৃষির ওপর অতিরিক্ত চাপ।
প্রশ্ন ৩৪. ব্রিটিশ শাসনকালে ভারতের অবকাঠামো উন্নয়নের প্রধান উদ্দেশ্য কী ছিল?
উঃ ভারতের সম্পদের ওপর ব্রিটিশদের নিয়ন্ত্রণ সুদৃঢ় করা।
প্রশ্ন ৩৫. জামশেদজি টাটা কোন শিল্পের প্রসারে ভূমিকা রাখেন?
উঃ লৌহ ও ইস্পাত শিল্প।
প্রশ্ন ৩৬. ঔপনিবেশিক ভারতে দুর্ভিক্ষ হওয়ার একটি প্রধান কারণ কী?
উঃ খাদ্যশস্য রপ্তানি এবং মজুতদারদের কারসাজি।
প্রশ্ন ৩৭. চিরস্থায়ী বন্দোবস্তে সরকারের রাজস্বের হার কেমন ছিল?
উঃ এটি ছিল নির্দিষ্ট এবং অপরিবর্তনীয়৷
প্রশ্ন ৩৮. রায়তওয়ারি ব্যবস্থায় জমির মালিক কে ছিল?
উঃ চাষি নিজেই সরাসরি সরকারকে খাজনা দিত।
প্রশ্ন ৩৯. ব্রিটিশ আমলে ভারতীয় উদ্যোক্তাদের প্রধান বাধা কী ছিল?
উঃ ব্রিটিশ সরকারের অসহযোগিতা এবং আর্থিক ঋণের অভাব।
প্রশ্ন ৪০. ঔপনিবেশিক শাসনকালে ভারতের জাতীয় আয়ের প্রথম বৈজ্ঞানিক হিসাব কে করেন?
উঃ ভি. কে. আর. ভি. রাও (V.K.R. V. Rao ) I
প্রশ্ন ৪১. সম্পদ নির্গমনকে কেন ‘অদৃশ্য নির্গমন’ বলা হয়?
উঃ কারণ এর বিনিময়ে ভারত কোনো আর্থিক বা বস্তুগত সুবিধা পেত না।
প্রশ্ন ৪২. সুয়েজ খাল চালু হওয়ার ফলে ভারতের বাণিজ্যে কী প্রভাব পড়ে?
ডঃ ১৮৬৯ সালে সুয়েজ খাল খোলায় ইংল্যান্ডের সাথে ভারতের বাণিজ্যিক দূরত্ব ও খরচ কমে যায়।
প্রশ্ন ৪৩. ঔপনিবেশিক অর্থনীতিতে মুদ্রা ব্যবস্থার প্রধান নিয়ন্ত্রক কে ছিল?
উঃ ব্রিটিশ সরকার পরিচালিত রিজার্ভ ব্যাংক (১৯৩৫ সাল থেকে)।
প্রশ্ন ৪৪. বি-শিল্পায়নের ফলে বেকার শ্রমিকরা কোথায় আশ্রয় নেয়?
উঃ কৃষিকাজে, যার ফলে কৃষির ওপর জনসংখ্যার চাপ বেড়ে যায়।
প্রশ্ন ৪৫. ব্রিটিশ আমলে বস্ত্র শিল্পের প্রসারে কোন শহরকে ‘ভারতের ম্যানচেস্টার’ বলা হতো?
উঃ আহমেদাবাদ।
প্রশ্ন ৪৬. ঔপনিবেশিক শাসনে কৃষি শ্রমিকদের ঋণগ্রস্ততার প্রধান কারণ কী?
উঃ মহাজনদের উচ্চ সুদের হার।
প্রশ্ন ৪৭. ‘সার সূর্যাস্ত আইন’ (Sunset Law) কোন ব্যবস্থার সাথে যুক্ত?
উঃ চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সাথে।
প্রশ্ন ৪৮. ঔপনিবেশিক অর্থনীতি কি স্বয়ংসম্পূর্ণ ছিল?
উঃ না, এটি ইংল্যান্ডের অর্থনীতির পরিপূরক হিসেবে কাজ করত।
প্রশ্ন ৪৯. ব্রিটিশদের অর্থকরী ফসল চাষের চাপে ভারতের কোন সংকটের সৃষ্টি হয়?
উঃ খাদ্য সংকটের।
প্রশ্ন ৫০. নীল চাষ বন্ধ হওয়ার একটি প্রধান কারণ কী?
উঃ জার্মানিতে কৃত্রিম নীল বা রাসায়নিক রং আবিষ্কার।
প্রশ্ন ৫১. ভারতীয় হস্তশিল্পের পতনের পেছনে রাজন্যবর্গের ভূমিকা কী ছিল?
উঃ দেশীয় রাজন্যবর্গের ক্ষমতা হারানোয় হস্তশিল্পের পৃষ্ঠপোষকতা কমে যায়।
প্রশ্ন ৫২. ঔপনিবেশিক ভারতে রেলপথ নির্মাণের ফলে অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যে কী পরিবর্তন হয়?
উঃ বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে পণ্যের আদান-প্রদান সহজতর হয়।
প্রশ্ন ৫৩. ব্রিটিশ শাসনে ভারতের শিল্পোন্নয়ন কেন অসম ছিল ?
উঃ কারণ এটি ছিল মূলত ব্রিটিশ এবং কয়েকটি নির্দিষ্ট অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ।
প্রশ্ন ৫৪. ভারতের প্রথম লৌহ ও ইস্পাত কারখানা কোথায় গড়ে ওঠে?
উঃ কুলটিতে।
প্রশ্ন ৫৫. সম্পদ নির্গমন তত্ত্বটি দাদাভাই নওরোজি কোন বইতে লিখেছেন?
উঃ ‘Poverty and Un British Rule in India’.
প্রশ্ন ৫৬. ব্রিটিশ আমলে ভারতে পাটের চাহিদা কেন বেড়েছিল?
উঃ বিশ্ববাজারে বস্তা ও প্যাকিংয়ের জন্য পাটের ব্যাপক চাহিদা থাকায়
প্রশ্ন ৫৭. ঔপনিবেশিক আমলে ভারতের আর্থিক নীতি কে নির্ধারণ করত?
উঃ ব্রিটিশ পার্লামেন্ট।
প্রশ্ন ৫৮. ব্রিটিশ ভারতের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র কোনটি ছিল?
উঃ কলকাতা।
প্রশ্ন ৫৯. রেলপথ নির্মাণের জন্য ব্রিটিশ সরকার ভারতীয়দের কী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল?
উঃ ৫% নির্দিষ্ট লভ্যাংশের নিশ্চয়তা (Guaranteed System)।
প্রশ্ন ৬০. ঔপনিবেশিক অর্থনীতিতে ‘ল্যান্ড লর্ডস’ বা জমিদারদের ভূমিকা কী ছিল ?
উঃ তারা ছিল ব্রিটিশদের অনুগত এবং শোষণের প্রধান মাধ্যম।
প্রশ্ন ৬১. ভারতে চা শিল্পের বিকাশ মূলত কোন অঞ্চলে হয়েছিল?
উঃ অসম ও উত্তরবঙ্গে।
প্রশ্ন ৬২. ভারতের কুটির শিল্পের একটি জগৎবিখ্যাত পণ্যের নাম দাও।
উঃ ঢাকার মসলিন।
প্রশ্ন ৬৩. ঔপনিবেশিক আমলে সরকারি আয়ের প্রধান উৎস কী ছিল?
উঃ ভূমি রাজস্ব (Land Revenue ) I
প্রশ্ন ৬৪. কৃষির বাণিজ্যিকীকরণের একটি সুফল কী?
উঃ আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে ভারতীয় কৃষির সংযোগ
প্রশ্ন ৬৫. ঔপনিবেশিক আমলে ভারতের আমদানিকৃত একটি প্রধান কাঁচামালের নাম বলো।
উঃ খনিজ তেল।
প্রশ্ন ৬৬. ব্রিটিশ ভারতের প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধের পর অর্থনৈতিক কী পরিবর্তন হয়?
উঃ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাত থেকে ক্ষমতা সরাসরি ব্রিটিশ রাজের অধীনে যায়।
প্রশ্ন ৬৭. ভারতের প্রাচীন গ্রামকেন্দ্রিক স্বনির্ভর অর্থনীতি কীভাবে ধ্বংস হয়?
উঃ ব্রিটিশদের নতুন ভূমি রাজস্ব ও বাজার ব্যবস্থার ফলে।
প্রশ্ন ৬৮. ঔপনিবেশিক শাসনে শ্রমের অভিবাসন (Migration) কেন ঘটেছিল?
উঃ দারিদ্র্যের কারণে ভারতীয় শ্রমিকদের বিদেশে ব্রিটিশ বাগিচায় কাজ করতে পাঠানো হতো।
প্রশ্ন ৬৯. নীলকর সাহেবদের অত্যাচার কোন গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে?
উঃ দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীল দর্পণ’ নাটকে।
প্রশ্ন ৭০. ঔপনিবেশিক অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব কেমন ছিল?
উঃ বিশ্বযুদ্ধের সময় মুদ্রাস্ফীতি চরমে উঠেছিল যা সাধারণ মানুষের দুর্দশা বাড়ায়৷
প্রশ্ন ৭১. ভারত থেকে কাঁচামাল রপ্তানির ফলে ইংল্যান্ডের কী সুবিধা হয়েছিল?
উঃ সে দেশের কারখানাগুলো সস্তায় কাঁচামাল পাওয়ায় উৎপাদন ব্যয় কমত।
প্রশ্ন ৭২. ঔপনিবেশিক আমলে শিল্প শ্রমিকদের অবস্থা কেমন ছিল?
উঃ কাজের সময় দীর্ঘ ছিল এবং বেতন ছিল অত্যন্ত কম।
প্রশ্ন ৭৩. ব্রিটিশ শাসনে ভারতের উপকূলীয় বাণিজ্যের ওপর কাদের আধিপত্য ছিল?
উঃ ব্রিটিশ জাহাজ কোম্পানির।
প্রশ্ন ৭৪. আধুনিক ভারতের রূপকার হিসেবে লর্ড ডালহৌসিকে কেন স্মরণ করা হয়?
উঃ রেলপথ, ডাক ও টেলিগ্রাফ ব্যবস্থা প্রবর্তনের জন্য।
প্রশ্ন ৭৫. ঔপনিবেশিক আমলে ভারতের জলসেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন কেন কম ছিল?
উঃ কারণ এতে সরাসরি ব্রিটিশদের আর্থিক লাভ কম ছিল।
প্রশ্ন ৭৬. ‘Drain theory’ ভারতীয় জাতীয়তাবাদকে কীভাবে প্রভাবিত করে?
উঃ এটি ভারতীয়দের ব্রিটিশ শাসনের অর্থনৈতিক শোষণ সম্পর্কে সচেতন করে তোলে।
প্রশ্ন ৭৭. ব্রিটিশ আমলে ভারতীয় তাঁত শিল্প কেন প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ে?
উঃ হাতে তৈরি কাপড় ছিল ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ।
প্রশ্ন ৭৮. ঔপনিবেশিক শাসনে ভারতের মুদ্রার নাম কী ছিল?
উঃ রূপোর টাকা বা সিলভার রুপি।
প্রশ্ন ৭৯. ১৯২৯ সালের বিশ্বমন্দার প্রভাব ভারতের ওপর কী ছিল?
উঃ কৃষি পণ্যের দাম পড়ে যাওয়ায় কৃষকদের ঋণ বেড়ে গিয়েছিল।
প্রশ্ন ৮০. ব্রিটিশ আমলে ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্যের গতিপথ কোন দেশের দিকে ছিল?
উঃ প্রধানত ব্রিটেনের দিকে।
প্রশ্ন ৮১. নীল চাষিদের দাদন প্রথা কেন ক্ষতিকর ছিল?
উঃ একবার দাদন নিলে চাষি কখনোই ঋণের জাল থেকে বেরোতে পারত না৷
প্রশ্ন ৮২. ঔপনিবেশিক অর্থনীতিতে পুঁজি গঠন কেন কম ছিল?
উঃ কারণ অধিকাংশ উদ্বৃত্ত আয় বিদেশে চলে যেত।
প্রশ্ন ৮৩. ব্রিটিশ ভারতের কর কাঠামোর বৈশিষ্ট্য কী ছিল?
উঃ এটি ছিল দরিদ্রদের ওপর বেশি নির্ভরশীল।
প্রশ্ন ৮৪. ঔপনিবেশিক আমলে কয়লা শিল্পের বিকাশ কেন হয়েছিল?
উঃ রেলপথ ও স্টিমার চালানোর প্রয়োজনে কয়লার চাহিদা ছিল।
প্রশ্ন ৮৫. কৃষির বাণিজ্যিকীকরণ কেন চাষিদের আয় বাড়াতে পারেনি?
উঃ কারণ মধ্যস্বত্বভোগী ও ব্রিটিশ কোম্পানিগুলি লাভের বড় অংশ নিয়ে নিত।
প্রশ্ন ৮৬. ব্রিটিশ শাসনকালে ভারতের জন্মহার ও মৃত্যুহার কেমন ছিল?
উঃ উভয় হারই ছিল খুব উচ্চ।
প্রশ্ন প্রশ্ন ৮৭. ব্রিটিশ শাসনে ভারতের জীবনযাত্রার গড় আয়ু কত ছিল?
উঃ প্রায় ৩২ বছর৷
প্রশ্ন ৮৮. ভারতীয় শিল্পে ব্রিটিশ পুঁজির অনুপ্রবেশের একটি ক্ষেত্র বলো।
উঃ চা ও নীল বাগান৷
প্রশ্ন ৮৯. ঔপনিবেশিক অর্থনীতিতে গ্রাম মহাজনদের গুরুত্ব কেন বেড়েছিল?
উঃ খাজনা দেওয়ার জন্য চাষিদের নগদ টাকার প্রয়োজন পড়ত।
প্রশ্ন ৯০. চিরস্থায়ী বন্দোবস্তে জমিদাররা কি জমির মালিক ছিলেন?
উঃ হ্যাঁ, তবে তাদের নিয়মিত সরকারকে খাজনা দিতে হতো।
প্রশ্ন ৯১. ঔপনিবেশিক ভারতে কারিগরি শিক্ষার প্রসার কেমন ছিল?
উঃ অত্যন্ত ধীর এবং অপর্যাপ্ত।
প্রশ্ন ৯২. বি-শিল্পায়নের ফলে ভারতের আয়ের ওপর কী প্রভাব পড়ে?
উঃ জাতীয় আয় হ্রাস পায় এবং দারিদ্র্য বাড়ে।
প্রশ্ন ৯৩. ব্রিটিশ আমলে ভারতের সমুদ্র বাণিজ্য কোন বন্দর দিয়ে বেশি হতো?
উঃ কলকাতা, বোম্বে ও মাদ্রাজ।
প্রশ্ন ৯৪. ঔপনিবেশিক শাসনে ভারতের কোন অংশ ‘উদ্বৃত্ত এলাকা’ হিসেবে পরিচিত ছিল?
উঃ বাংলা প্রেসিডেন্সি।
প্রশ্ন ৯৫. ব্রিটিশ সরকারের রপ্তানি বাণিজ্য নীতি কেমন ছিল?
উঃ ভারতের কাঁচামাল রপ্তানির জন্য উৎসাহমূলক কিন্তু তৈরি পণ্য রপ্তানিতে নিরুৎসাহমূলক।
প্রশ্ন ৯৬. কেন ব্রিটিশরা ভারতে বড় কলকারখানা তৈরিতে বাধা দিত?
উঃ যাতে ভারতীয় পণ্য ব্রিটিশ পণ্যের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করতে পারে।
প্রশ্ন ৯৭. ঔপনিবেশিক শাসনের অবসানে ভারতের অর্থনৈতিক অবস্থা কেমন ছিল?
উঃ একটি রুগ্ন এবং দারিদ্র্যপীড়িত কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি।
প্রশ্ন ৯৮. ভারত সচিবের বেতন কোন তহবিল থেকে দেওয়া হতো?
উঃ ভারতীয় রাজস্ব থেকে।
প্রশ্ন ৯৯. দাদাভাই নওরোজি সম্পদ নির্গমনকে কোন নামে অভিহিত করেছিলেন?
উঃ ‘Evil of all evils’.
প্রশ্ন ১০০. ভারতের গ্রামীণ অর্থনীতির স্বনির্ভরতা ধ্বংসের প্রধান কারণ কী?
উঃ ব্রিটিশদের প্রবর্তিত নতুন ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থা এবং সস্তা বিলিতি পণ্যের অনুপ্রবেশ ।
প্রশ্ন ১০১. অবশিল্পায়নের ফলে ভারতের সমাজকাঠামোয় কী পরিবর্তন আসে?
উঃ কারিগর ও তাঁতিরা জীবিকা হারিয়ে খেতমজুরে পরিণত হয়।
প্রশ্ন ১০২. ব্রিটিশ আমলে ভারতের রেশম শিল্প কেন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল?
উঃ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির একচেটিয়া শোষণ এবং ব্রিটিশ রেশম শিল্পের স্বার্থরক্ষা করতে গিয়ে
প্রশ্ন ১০৩. নীল চাষিদের ওপর অত্যাচারের কাহিনী কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হতো?
উঃ হিন্দু প্যাট্রিয়ট (হরিশচন্দ্র মুখোপাধ্যায় সম্পাদিত)।
প্রশ্ন ১০৪. ‘সম্পদ নির্গমন’ ভারতের মূলধন গঠনে কী প্রভাব ফেলেছিল?
উঃ ভারতের উদ্বৃত্ত পুঁজি বিদেশে চলে যাওয়ায় দেশে শিল্পায়নের জন্য মূলধনের অভাব ঘটে।
প্রশ্ন ১০৫. ব্রিটিশরা ভারতে রেলপথ নির্মাণের জন্য জমি কীভাবে সংগ্রহ করত?
উঃ অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভারতীয়দের থেকে বিনামূল্যে জমি অধিগ্রহণ করত।
প্রশ্ন ১০৬. ঔপনিবেশিক ভারতে সুতি বস্ত্রের কল প্রথম কোথায় স্থাপিত হয়?
উঃ ১৮৫৪ সালে বোম্বেতে (বর্তমানে মুম্বাই)।
প্রশ্ন ১০৭. কাগজ কল ভারতে প্রথম কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?
উঃ ১৮৭০ সালে বালিতে (পশ্চিমবঙ্গ)।
প্রশ্ন ১০৮. ব্রিটিশ আমলে ভারতীয় কৃষিতে কেন আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়নি?
উঃ চাষিদের চরম দারিদ্র্য এবং জমিদারি প্রথার শোষণের কারণে।
প্রশ্ন ১০৯. সম্পদের নির্গমনকে কেন ‘একতরফা হস্তান্তর’ বলা হয়?
উঃ কারণ এর বিনিময়ে ভারত কোনো পণ্য বা সোনা আমদামি করতে পারত না।
প্রশ্ন ১১০. লর্ড ডালহৌসি রেলপথ প্রবর্তনের অন্য একটি কারণ কী ছিল?
উঃ ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্রিটিশ পণ্যের বাজার বিস্তার করা।
প্রশ্ন ১১১. ঔপনিবেশিক ভারতে লোহা ও ইস্পাত শিল্পের বিকাশে প্রধান বাধা কী ছিল?
উঃ ব্রিটিশ সরকারের বৈষম্যমূলক শুল্ক নীতি
প্রশ্ন ১১২. অবশিল্পায়ন কি ভারতের সব অঞ্চলে সমানভাবে হয়েছিল?
উঃ না, বাংলা ও দক্ষিণ ভারতের উপকূলীয় অঞ্চলে এর প্রভাব ছিল সবচেয়ে বেশি।
প্রশ্ন ১১৩. নীল বিদ্রোহের ফলে ব্রিটিশ সরকার কোন কমিশন গঠন করে?
উঃ ইন্ডিগো কমিশন বা নীল কমিশন (১৮৬০)।
প্রশ্ন ১১৪. ব্রিটিশ ভারতের কর কাঠামোর একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
উঃ লবণ করের মতো পরোক্ষ করের মাধ্যমে দরিদ্রদের ওপর বোঝা চাপানো।
প্রশ্ন ১১৫. ঔপনিবেশিক ভারতে ব্যাংকিং ব্যবসায় প্রধান কারা ছিল?
উঃ ইউরোপীয় ম্যানেজিং এজেন্সি এবং প্রেসিডেন্সি ব্যাংকসমূহ।
প্রশ্ন ১১৬. চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলে কৃষকদের ওপর কী প্রভাব পড়েছিল?
উঃ কৃষকরা জমির অধিকার হারিয়ে জমিদারের ইচ্ছাধীন প্রজায় পরিণত হয়।
প্রশ্ন ১১৭. ব্রিটিশ ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্যের সিংহভাগ কার নিয়ন্ত্রণে ছিল?
উঃ ব্রিটিশ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর
প্রশ্ন ১১৮. মহাজনরা কৃষকদের কীভাবে শোষণ করত?
উঃ চড়া সুদ এবং হিসাবের কারচুপির মাধ্যমে জমি ও ফসল দখল করে।
প্রশ্ন ১১৯. ভারতের সামুদ্রিক বাণিজ্যে ব্রিটিশদের একচেটিয়া আধিকার কবে থেকে শুরু হয়?
উঃ ১৮৯৩ সালের চার্টার অ্যাক্টের পর থেকে।
প্রশ্ন ১২০. ঔপনিবেশিক আমলে ভারতের খাদ্যশস্য রপ্তানির ফলাফল কী হয়েছিল?
উঃ দেশে খাদ্যভাব দেখা দিত এবং দুর্ভিক্ষের ঝুঁকি বাড়ত।
প্রশ্ন ১২১. ভারতের ম্যানচেস্টার কেন আহমেদাবাদকে বলা হতো?
উঃ সেখানে প্রচুর পরিমাণে সুতি বস্ত্রের কল স্থাপিত হয়েছিল।
প্রশ্ন ১২২. ব্রিটিশ আমলে ‘প্লাটেশন ইন্ডাস্ট্রি’ বা বাগিচা শিল্প বলতে কী বোঝায়?
উঃ নীল, চা, কফি এবং রাবার চাষ যা মূলত বিদেশি পুঁজি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতো।
প্রশ্ন ১২৩. চা শিল্পের বিকাশে শ্রমিকদের অবস্থা কেমন ছিল?
উঃ শ্রমিকরা অমানবিক পরিবেশে ক্রীতদাসের মতো কাজ করতে বাধ্য হতো।
প্রশ্ন ১২৪. ভারতীয় শিল্পের উন্নয়নে ‘স্বদেশী আন্দোলন’-এর ভূমিকা কী ছিল?
উঃ এটি দেশি পণ্য ব্যবহারের ডাক দিয়ে দেশি শিল্পের প্রসারে সাহায্য করেছিল।
প্রশ্ন ১২৫. ঔপনিবেশিক ভারতে মুদ্রার মান কিসের ভিত্তিতে স্থির করা হতো?
উঃ ব্রিটিশ পাউন্ড স্টার্লিং-এর সাথে টাকার সংযোগ রক্ষা করে।
প্রশ্ন ১২৬. চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের একটি ‘অদৃশ্য’ ফল কী ছিল?
উঃ মধ্যস্বত্বভোগী বা পত্তনিদার শ্রেণির উদ্ভব৷
প্রশ্ন ১২৭. ঔপনিবেশিক অর্থনীতিতে নগরায়ন কেন মন্থর ছিল?
উঃ কারণ গ্রাম থেকে মানুষ শহরে আসত মূলত কাজের অভাবে, শিল্পের টানে নয়।
প্রশ্ন ১২৮. ব্রিটিশ ভারতের প্রধান আমদানি পণ্যগুলোর একটির নাম বলো।
উঃ যন্ত্রপাতি ও কলকারখানার সরঞ্জাম।
প্রশ্ন ১২৯. দাদন প্রথা কেন চাষিদের সর্বস্বান্ত করেছিল?
উঃ ঋণের দায়ে চাষিরা বাধ্য হয়ে সস্তায় ফসল বিক্রি করতে বাধ্য হতো।
প্রশ্ন ১৩০. ঔপনিবেশিক শাসনে ভারতের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির হার কত ছিল?
উঃ প্রায় শূন্য শতাংশের কাছাকাছি।
প্রশ্ন ১৩১. ব্রিটিশ ভারতের প্রথম কাগজ কলটি কোথায় ছিল?
উঃ শ্রীরামপুরে।
প্রশ্ন ১৩২. জামশেদজি টাটা স্টিল কারখানা স্থাপনে কেন সফল হয়েছিলেন?
উঃ স্বদেশী ভাবধারা এবং দেশি মূলধন ব্যবহারের প্রচেষ্টার কারণে।
প্রশ্ন ১৩৩. ব্রিটিশ আমলে ভারতের বনজ সম্পদের কী হাল হয়েছিল?
উঃ রেলপথ নির্মাণের স্লিপার তৈরির জন্য বনের গাছ যথেচ্ছ কাটা হয়েছিল।
প্রশ্ন ১৩৪. ঔপনিবেশিক অর্থনীতির একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
উঃ এটি ছিল একটি আধা-সামন্ততান্ত্রিক ও আধা-ঔপনিবেশিক ব্যবস্থা।
প্রশ্ন ১৩৫. ভারতের কৃষির ওপর জনসংখ্যার চাপ বাড়ার মূল কারণ কী?
উঃ কুটির শিল্প ধ্বংস হওয়ায় বিপুল সংখ্যক কারিগরের কৃষিতে ফিরে আসা।
প্রশ্ন ১৩৬. ব্রিটিশ শাসনে ভারতের শিল্প শ্রমিকদের গড় আয়ু কত ছিল?
উঃ সাধারণ মানুষের চেয়েও কম, কারণ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও দীর্ঘ কাজের সময়।
প্রশ্ন ১৩৭. বিংশ শতাব্দীর শুরুতে ভারতের প্রধান শিল্প শহর কোনটি ছিল?
উঃ কলকাতা।
প্রশ্ন ১৩৮. ব্রিটিশ ভারতের রাজস্বের কত শতাংশ সামরিক খাতে ব্যয় হতো?
উঃ প্ৰায় ৫০ শতাংশের বেশি।
প্রশ্ন ১৩৯. ‘Drain of Wealth’ থিওরিকে অন্য কোন নামে ডাকা হয়?
উঃ রক্তক্ষরণ বা ‘Bleeding’ প্ৰক্ৰিয়া।
প্রশ্ন ১৪০. ভারতের প্রথম পাটকল কে স্থাপন করেন?
উঃ জর্জ অকল্যান্ড।
প্রশ্ন ১৪১. ব্রিটিশ আমলে ভারতের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য শুল্ক (Internal Duties) কেন তোলা হয়েছিল?
উঃ ব্রিটিশ পণ্যের অবাধ যাতায়াত নিশ্চিত করার জন্য।
প্রশ্ন ১৪২. ঔপনিবেশিক ভারতে শিক্ষার উদ্দেশ্য কী ছিল?
উঃ শাসনকার্যে সহায়তার জন্য একদল কেরানি তৈরি করা
প্রশ্ন ১৪৩. ব্রিটিশ আমলে ভারতীয়দের সঞ্চয় কেন কম ছিল?
উঃ আয়ের সিংহভাগই জীবনধারণ ও উচ্চ কর মেটাতে ব্যয় হতো।
প্রশ্ন ১৪৪. রেলপথ নির্মাণ ভারতের কুটির শিল্পের ওপর কী প্রভাব ফেলেছিল?
উঃ এটি প্রত্যন্ত গ্রামেও ব্রিটিশ পণ্য পৌঁছে দিয়ে দেশি শিল্পের বাজার শেষ করে দেয়।
প্রশ্ন ১৪৫. নীল চাষ কেন কৃষকদের কাছে লোকসানজনক ছিল?
উঃ কারণ নীল চাষের ফলে জমির উর্বরতা কমত এবং ধান্য জমি নষ্ট হতো।
প্রশ্ন ১৪৬. ব্রিটিশ ভারতের অর্থনৈতিক ইতিহাস নিয়ে বিখ্যাত গ্রন্থ কার লেখা?
উঃ রমেশচন্দ্র দত্ত (Economic History of India)।
প্রশ্ন ১৪৭. ভারতের আধুনিক শিল্পের জনক কাকে বলা হয়?
উঃ জামশেদজি টাটাকে।
প্রশ্ন ১৪৮. ঔপনিবেশিক অর্থনীতিতে ‘প্যারাসাইটিক’ বা পরজীবী শ্রেণি কারা ছিল?
উঃ মহাজন এবং অনুপস্থিত জমিদার শ্রেণি।
প্রশ্ন ১৪৯. ব্রিটিশ আমলে ভারতীয় মুদ্রার বিনিময় হার বৃদ্ধির ফলে কার ক্ষতি হয়েছিল?
উঃ ভারতীয় রপ্তানিকারকদের।
প্রশ্ন ১৫০. ঔপনিবেশিক শাসনে ভারতীয় গ্রামগুলি কেন ঋণের জালে জড়িয়ে পড়েছিল?
উঃ খাজনা নগদ টাকায় দিতে হওয়ায় চাষিরা মহাজনের দ্বারস্থ হতো।
প্রশ্ন ১৫১. ব্রিটিশ আমলে ভারতে কৃষি বিজ্ঞানের প্রসার কেমন ছিল?
উঃ প্ৰায় নেই বললেই চলে, চাষ পদ্ধতি ছিল প্রাচীন ও অবৈজ্ঞানিক
প্রশ্ন ১৫২. ভারতের প্রথম চিনি কল কোথায় স্থাপিত হয়?
উঃ ১৯০৩ সালে বিহারে।
প্রশ্ন ১৫৩. ব্রিটিশরা কেন ভারতে সেচ ব্যবস্থার চেয়ে রেলপথে বেশি বিনিয়োগ করেছিল?
উঃ কারণ রেলপথে তাদের বিনিয়োগের লভ্যাংশ নিশ্চিত ছিল।
প্রশ্ন ১৫৪. ঔপনিবেশিক অর্থনীতিতে আয়ের বৈষম্য কেমন ছিল?
উঃ অত্যন্ত প্রকট, একদিকে সাধারণ মানুষ চরম দরিদ্র আর অন্যদিকে জমিদাররা বিলাসী।
প্রশ্ন ১৫৫. ভারতের প্রথম সুতি বস্ত্রের কলটি কে প্রতিষ্ঠা করেন ?
উঃ কাউসজি নানাভাই দাভর।
প্রশ্ন ১৫৬. ব্রিটিশ আমলে ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্যের একচেটিয়া অধিকার ছিল কোন দেশের?
উঃ গ্রেট ব্রিটেন৷
প্রশ্ন ১৫৭. ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের একটি বড় কারণ কী ছিল ?
উঃ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রয়োজনে খাদ্যশস্য মজুদ ও সরবরাহ বন্ধ করা।
প্রশ্ন ১৫৮. ঔপনিবেশিক আমলে ভারতের পরিবহন ব্যবস্থার প্রধান মেরুদণ্ড কী ছিল?
উঃ রেলপথ ও নদীপথ।
প্রশ্ন ১৫৯. চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত কেন কোম্পানি সরকারের সুবিধা দিয়েছিল?
উঃ কারণ এতে প্রতি বছর রাজস্বের একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ নিশ্চিত হয়েছিল।
প্রশ্ন ১৬০. রায়তওয়ারি ব্যবস্থায় খাজনার হার কেমন ছিল?
উঃ অত্যন্ত উচ্চ এবং মাঝে মাঝে তা পুনর্বিবেচনা করা হতো ।
প্রশ্ন ১৬১. ঔপনিবেশিক ভারতে লোহা ও ইস্পাত শিল্পের কাঁচামাল কোথায় পাওয়া যেত?
উঃ ছোটনাগপুর মালভূমি অঞ্চলে।
প্রশ্ন ১৬২. ব্রিটিশ আমলে ভারতের সমুদ্র বাণিজ্য কোন পথে চলত?
উঃ কেপ অফ গুড হোপ এবং পরে সুয়েজ খাল দিয়ে
প্রশ্ন ১৬৩. ঔপনিবেশিক আমলে কুটির শিল্পের ধ্বংসের ফলে কোন শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়?
উঃ তাঁত শিল্প এবং ধাতব শিল্প।
প্রশ্ন ১৬৪. ব্রিটিশ আমলে ভারতীয় চা কোন দেশে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হতো?
উঃ ব্রিটেনে৷
প্রশ্ন ১৬৫. ঔপনিবেশিক শাসনে ভারতের সঞ্চয়ের হার কত ছিল?
উঃ আনুমানিক ২ শতাংশ থেকে ৩ শতাংশ৷
প্রশ্ন ১৬৬. ব্রিটিশ ভারতের বাজেটে জনকল্যাণমূলক কাজের খরচ কত ছিল?
উঃ অত্যন্ত নগণ্য।
প্রশ্ন ১৬৭. অবশিল্পায়নের ফলে কোন শহরগুলির গুরুত্ব কমে গিয়েছিল?
উঃ ঢাকা, মুর্শিদাবাদ এবং সুরাট।
প্রশ্ন ১৬৮. ব্রিটিশ আমলে ভারতের কোন অঞ্চলে পাট চাষ সবচেয়ে বেশি হতো?
উঃ অবিভক্ত বাংলায়৷
প্রশ্ন ১৬৯. ঔপনিবেশিক অর্থনীতিতে ‘ক্যাশ ক্রপ চাষের উদ্দেশ্য কী ছিল?
উঃ নগদ টাকায় খাজনা আদায় সহজ করা এবং বিদেশের কাঁচামাল পাঠানো
প্রশ্ন ১৭০. নীল দর্পণ নাটকটি কে ইংরেজি অনুবাদ করেছিলেন?
উঃ মাইকেল মধুসূদন দত্ত৷
প্রশ্ন ১৭১. ব্রিটিশ শাসনে ভারতের উপকূলীয় বাণিজ্য নীতি কেমন ছিল?
উঃ ব্রিটিশ জাহাজ কোম্পানিগুলোকে একচেটিয়া সুবিধা দেওয়া হতো।
প্রশ্ন ১৭২. ১৯০৭ সালে টাটা স্টিল কারখানা স্থাপনে কে সহায়তা করেছিলেন?
উঃ মূলত ভারতীয় পুঁজিপতি ও সাধারণ মানুষ।
প্রশ্ন ১৭৩. ঔপনিবেশিক ভারতে দুর্ভিক্ষ প্রতিরোধের উপায় কী ছিল?
উঃ আধুনিক সেচ ব্যবস্থা এবং খাদ্যশস্যের সমবণ্টন (যা ব্রিটিশরা করেনি)।
প্রশ্ন ১৭৪. ব্রিটিশ আমলে ভারতের প্রধান তেলবীজ রপ্তানি হতো কোথায়?
উঃ ইউরোপের দেশগুলোতে।
প্রশ্ন ১৭৫. বি-শিল্পায়নের একটি প্রধান লক্ষণ কী?
উঃ জাতীয় আয়ে শিল্পের অংশ কমে যাওয়া এবং কৃষির অংশ বেড়ে যাওয়া।
প্রশ্ন ১৭৬. ব্রিটিশ শাসনে ভারতীয়দের জীবনযাত্রার মান কেমন ছিল?
উঃ বিশ্বের মধ্যে অন্যতম নিম্নতম স্তরে।
প্রশ্ন ১৭৭. ঔপনিবেশিক অর্থনীতিতে মধ্যস্বত্বভোগীদের সংখ্যা বৃদ্ধি কেন ক্ষতিকর ছিল?
উঃ কারণ প্রতিটি স্তর কৃষকের ওপর থেকে বেশি মুনাফা আদায়ের চেষ্টা করত।
প্রশ্ন ১৭৮. ব্রিটিশ ভারতের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পথ কী ছিল?
উঃ কৃষিজাত পণ্য ও কাঁচামাল রপ্তানি।
প্রশ্ন ১৭৯. ১৮১৩ সালের পর ভারতের বাণিজ্যে কী পরিবর্তন আসে?
উঃ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির একচেটিয়া বাণিজ্য অধিকার শেষ হয় ৷
প্রশ্ন ১৮০. ঔপনিবেশিক ভারতে নারী শিক্ষার অবস্থা কেমন ছিল?
উঃ অত্যন্ত করুণ, শিক্ষার হার ছিল ৪ শতাংশের নিচে।
প্রশ্ন ১৮১. ব্রিটিশ শাসনে ভারতের মুদ্রাব্যবস্থা কিসের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল?
উঃ ব্রিটিশ স্বার্থ এবং পাউন্ডের সাথে স্থির বিনিময় হার।
প্রশ্ন ১৮২. রেলপথ নির্মাণ কি ভারতের গ্রাম্য স্বনির্ভরতা বাড়াতে পেরেছিল?
উঃ না, বরং এটি গ্রামীণ অর্থনীতিকে বিশ্ববাজারের শোষণের কাছে উন্মুক্ত করে দেয়।
প্রশ্ন ১৮৩. ঔপনিবেশিক আমলে ভারতের খনিজ সম্পদের উত্তোলন কাদের হাতে ছিল?
উঃ মূলত ব্রিটিশ কোম্পানিগুলির হাতে।
প্রশ্ন ১৮৪. চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত কেন কৃষকদের নিরাপত্তা দিতে পারেনি ?
উঃ কারণ জমিদারদের ক্ষমতার ওপর কোনো কার্যকর সরকারি নিয়ন্ত্রণ ছিল না৷
প্রশ্ন ১৮৫. ব্রিটিশ আমলে ভারতের প্রধান আমদানিকৃত সুতি বস্ত্র কোন শহর থেকে আসত?
উঃ ল্যাঙ্কাশায়ার ও ম্যানচেস্টার।
প্রশ্ন ১৮৬. বিংশ শতাব্দীর শুরুতে ভারতের প্রধান রপ্তানি পণ্য কী ছিল?
উঃ চা, পাটজাত দ্রব্য এবং তুলা।
প্রশ্ন ১৮৭. ঔপনিবেশিক অর্থনীতিতে ঋণের বোঝা কেন বংশপরম্পরায় চলত?
উঃ উচ্চ সুদ এবং কৃষকদের আয়ের অভাবের কারণে।
প্রশ্ন ব্রিটিশ শাসনে ভারতের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য টাকা কোথা থেকে আসত?
উঃ ভারতের সাধারণ মানুষের দেওয়া করের টাকা থেকে
প্রশ্ন ১৮৯. ভারতের হস্তশিল্প পুনরুদ্ধারে গান্ধীজির ভূমিকা কী ছিল?
উঃ চরকা ও খদ্দর ব্যবহারের মাধ্যমে কুটির শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করা।
প্রশ্ন ১৯০. ঔপনিবেশিক অর্থনীতিতে বাজার ব্যবস্থার প্রকৃতি কেমন ছিল?
উঃ এটি ছিল অসংগঠিত এবং দালালদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।
প্রশ্ন ১৯১. ব্রিটিশ আমলে ভারতের চা বাগানগুলোতে শ্রমিকদের কী বলা হতো ?
উঃ কুলি।
প্রশ্ন ১৯২. নীল চাষ কেন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল?
উঃ নীল বিদ্রোহ এবং কৃত্রিম রং আবিষ্কারের ফলে বাজারের চাহিদা কমে যাওয়ায়৷
প্রশ্ন ১৯৩. ঔপনিবেশিক অর্থনীতিতে আয়ের প্রবাহ কোন দিকে ছিল?
উঃ গ্রাম থেকে শহর এবং শহর থেকে বিদেশের (ইংল্যান্ড) দিকে।
প্রশ্ন ১৯৪. চিরস্থায়ী বন্দোবস্তে খাজনা দিতে না পারলে জমিদারদের কী হতো?
উঃ তাদের জমি প্রকাশ্যে নিলামে বিক্রি করে দেওয়া হতো।
প্রশ্ন ১৯৫. ব্রিটিশ আমলে ভারতের প্রথম রেলপথ কোন দুটি স্টেশনের মধ্যে চলেছিল?
উঃ বোম্বে থেকে থানে।
প্রশ্ন ১৯৬. ঔপনিবেশিক শাসনে ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্যের বিশেষত্ব কী ছিল?
উঃ বাণিজ্যের উদ্বৃত্ত থাকা সত্ত্বেও দেশ দরিদ্র থেকে যেত।
প্রশ্ন ১৯৭. ভারতের আধুনিক অর্থনীতির ভিত্তি কবে থেকে রচিত হতে শুরু করে?
উঃ মূলত ব্রিটিশ শাসনের শেষ দিকে কিছু ভারতীয় শিল্পের উত্থানের মাধ্যমে।
প্রশ্ন ১৯৮. ঔপনিবেশিক অর্থনীতির মূল বৈশিষ্ট্য কী ছিল?
উঃ অনুন্নত কৃষি এবং বি-শিল্পায়ন।
প্রশ্ন ১৯৯. ব্রিটিশ শাসনের অবসানে ভারতীয় অর্থনীতির প্রধান চ্যালেঞ্জ কী ছিল?
উঃ দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং নতুনভাবে শিল্পায়ন শুরু করা।




